কুমিল্লার ফসল উত্পাদনের একটি এলাকা গোমতীর চর। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাবশালী চক্র অবাধে চরের দু’পাড়ের মাটি কেটে বিক্রি করায় দিন দিন কমছে ফসলি জমি। কৃষকরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের দেখানো হচ্ছে হামলা-মামলার ভয়। কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ১৩০ কিলোমিটার ও স্থানভেদে সর্বোচ্চ ১২২ মিটার প্রশস্ত গোমতীর দু’তীরের প্রায় সাড়ে সাত হাজার একর জমিতে বছর জুড়ে জেলার প্রায় ১৫ শতাংশ শাকসবজি হয়। এদিকে মাটিখেকোরা বেপরোয়া হওয়ায় আবাদযোগ্য জমি কমে যাচ্ছে। এতে করে উত্পাদনও আশঙ্কাজনকভাবে কমছে। জেলা সদরের জালুয়াপাড়া, টিক্কাচর, চান্দপুর, কাপ্তানবাজার, ছত্রখীল, পালপাড়া, বানাসুয়া, আড়াইওরা, দুর্গাপুর, আমতলী, বুড়িচংয়ের বাবুবাজার, ময়নামতির রামপাল, বাজেহুরা, বাগিলারা ও এবদারপুরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই অবাধে মাটি কাটা হচ্ছে। এতে ফসলি জমি নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীর ওপর থাকা সেতুসহ বিভিন্ন স্থাপনাও রয়েছে হুমকির মুখে। দিনের বেলা কখনো প্রশাসনের নজরদারির কারণে মাটি কাটা বন্ধ থাকলেও রাতের বেলা বেপরোয়া এসব সিন্ডিকেটের লোকজন। কোথাও কোদাল, কোথাওবা এস্কেভেটর দিয়ে কাটা হচ্ছে মাটি। এ অবস্থায়, মাটি কাটা বন্ধ করে ফসলি জমি রক্ষাসহ নদীতীর রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মামশাদ কবীর, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০