ধামরাই পৌরসভা নির্বাচন পরবর্তীকালে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চন্দ্রাইল বউবাজার এলাকায় বিজয়ী কাউন্সিলর আবু সাইদের সমর্থকরা হামলা করে কয়েক জনকে মারধরসহ কয়েকটি বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেন পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী আরফান আলী।
এ ব্যাপারে রাতেই ধামরাই থানায় আরফান আলীর সমর্থক আক্কাস আলীর ছেলে মনিরুজ্জামান মনির বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৭০/৮০ জনকে অজ্ঞাত পরিচয় আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেছেন। হামলার শিকার জুয়েল বলেন, ‘আমার ডিশলাইন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। একই অভিযোগ ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য নাছিমা আক্তারের স্বামী আজগর আলীর। এদিকে বিজয়ী প্রার্থী আবু সাঈদ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ভোটে হেরে গিয়ে পরাজিত প্রার্থী আরফান আলীর সমর্থকরাই আমার লোকজনের ওপর হামলা করেছে। হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় কয়েক জন সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।