সরকারি হিসাবে ২০২০ সালের অর্ধেক পড়েছে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এবং শেষ অর্ধেক পড়েছে ২০২০-২১ অর্থবছরে। আলোচিত প্রবন্ধে ক্যালেন্ডার বছর জানুয়ারি-ডিসেম্বর ধরেই ২০২০ সালের অর্থনীতির অগ্রগতি ও আগামী বছরের প্রত্যাশা/চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিশ্লেষণের প্রয়াস চালাব। অর্থনীতির গবেষকগণ বেশ কতগুলোর চলকের মানদণ্ডে, যেমন—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, জিডিপিতে কৃষি, শিল্প, সেবা খাতের অবদান, কর জিডিপি অনুপাত, সঞ্চয়-বিনিয়োগ জিডিপি অনুপাত ইত্যাদি দিয়ে অর্থনীতিকে মূল্যায়ন করে থাকেন, যদিও এ নিয়ে অর্থনীতিবিদগণের মধ্যে অনেক বিতর্ক রয়েছে, যা চলমান থাকবে।
২০২০ সালের অর্থনীতিকে বলা হয় করোনাকালের অর্থনীতি এবং এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে ৫ লাখের বেশি, সুস্থ হয়েছে ৪ (৮৮.০৮%) লাখেরও বেশি, মৃত্যুবরণ করেছে ৭ (১.৪৫%) হাজারেরও বেশি, যার মধ্যে রয়েছেন অনেক বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, যাদেরকেও আমরা এই নতুন বছরে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। অনেক অর্থনীতিবিদ এবং সমাজতত্ত্ববিদ মনে করেন, এই মুহূর্তে অর্থনেতিক ক্ষতির হিসাবনিকাশের চেয়ে মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য করোনা মোকাবিলায় বেশি জোর দেওয়া উচিত। তার পরও পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, সাম্প্রতিক বাংলাদেশের অর্থনীতির বেশির ভাগ সূচকই সংকটে থাকলেও ঘুরে ফেরার সামর্থ্য দেশটি রাখে।
২০২০ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাবে স্থির মূল্যের সমতায় জিডিপির আকার ৩০তম এবং চলতি ডলার মূল্যে অবস্থান ৩৯তম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মাথাপিছু জাতীয় উত্পাদনে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উত্পাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। যদিও করোনার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতেও ধস নামার আশঙ্কা করেছিল উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো। তবে সরকার দৃঢ় মনোবল দেখিয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রায় প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২০ শতাংশই পুনর্নির্ধারণ করে। বিগত ৫০ বছরের মধ্যে গত দশকে গড় প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি ছিল (৬.৭৬ শতাংশ)। বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে প্রতি দশকে ১ শতাংশ পয়েন্ট প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এটি একটি অনন্য অর্জন। যদিও প্রথম পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২১ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ ধরা হয়েছিল।
এবার আসা যাক মাথাপিছু জাতীয় আয় প্রসঙ্গে । বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ২০২০-২১ সালে নিম্নমধ্যম আয় থেকে উচ্চমধ্যম আয়ে উন্নীত হওয়ার সীমা হলো মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ৪৫ মার্কিন ডলার (এটলাস পদ্ধতিতে)। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার (উত্স :বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০)। স্বাধীনতার পর থেকে মানুষের মাথাপিছু গড় আয় ১৫ গুণ বেড়েছে এবং মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা—এই তিনটি সূচকের দুটিতেই উত্তরণ ঘটলেই একটি দেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সুযোগ পাবে, যা বাংলাদেশ অনেক আগেই তা অর্জন করেছে।
অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর অন্যতম আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স । গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৬৩ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেশি হয়েছে ৩ কোটি মার্কিন ডলার। অর্থনীতির সব সূচকই, যেমন—আমদানি-রপ্তানি, রেমিট্যান্স, রিজার্ভ, প্রবৃদ্ধি অর্থবছরের শুরু থেকেই ভালোভাবে ঊর্ধ্বমুখী। করোনা মহামারির মধ্যে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের (২০২০-২০২১) প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেশি হয়েছে অন্তত ৩ কোটি মার্কিন ডলার। শুধু তা-ই নয়, করোনার বাস্তবতা সামনে রেখে জুলাই মাসে রপ্তানি আয় বাড়ার মধ্য দিয়ে নেতিবাচক ধারা থেকে বেরিয়ে এলো এই খাত, অর্থাত্ সাত মাস পর বাংলাদেশ রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধিতে ফিরে এসেছে। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে ২ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল রপ্তানি আয়ে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, একক মাস হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। গত জুন মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। তবে সেই রেকর্ড ভেঙে জুলাইতে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রেমিট্যান্সপ্রবাহ অব্যাহতভাবে বাড়ার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের সর্বোচ্চ রেকর্ড অতিক্রম করেছে। চলতি মাসের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১.৭০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। আশা করা যাচ্ছে, বছর শেষে রেমিট্যান্সের প্রবাহ ২২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।
বিগত ১১ জুন ২০২০ তারিখে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের এযাবত্কালের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে পেশ করেছিলেন বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী, যাকে বলা হয় করোনাকালের বাজেট। এই প্রস্তাবিত বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর অন্যতম ছিল করোনাকালে জনগণকে স্বস্তিতে রাখা, বিশেষত স্বাস্থ্য খাতে; কৃষি তথা খাদ্যনিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা খাতের পরিধি বৃদ্ধি ইত্যাদি।
সাম্প্রতিক কালে রাজস্বনীতিতে অনেক সংস্কার সাধন করেছে সরকার, যার মধ্যে কর ব্যবস্থাপনা অন্যতম। যেমন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ব্যবস্থার বাস্তবায়ন, কর আপাতন হ্রাসকরণ, মূসকের পরিধি বৃদ্ধি ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ (উত্স :জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এরই মধ্যে ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে আয়কর রহিত সীমা ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা, সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকা, মহিলা ও সিনিয়র সিটিজেন করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা/ প্রতিবন্ধী/ উপজাতিদের জন্য করসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ক্ষুদ্র করদাতাদের সুবিধার্থে ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিধান করা হয়েছে।
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, নগদ অর্থ ও খাদ্যসহায়তার ঘোষণা করেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং প্যাকেজ দ্রুত বাস্তবায়নে যেসব সুপারিশ করা হয় সেগুলো হচ্ছে—প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি স্বাধীন (তৃতীয় পক্ষ দিয়ে) মূল্যায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে (এসএমই) আরো সহায়তা দেওয়া, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে প্যাকেজের সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা। এছাড়া প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণের অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত, এসএমই খাতে প্যাকেজের অর্থ দ্রুত ছাড় ও ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে এসএমই খাতে নিয়ে আসা। একই সঙ্গে নতুন গরিব হওয়াসহ দরিদ্র মানুষকে সহায়তা করতে দেশব্যাপী ওএমএস কর্মসূচি চালু, কৃষিতে আগ্রহ বাড়াতে ইনসিওরেন্স-ব্যবস্থা ও প্যাকেজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরো সহজ করা। সেখানে আরো বলা হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে এসএমই খাতের প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ দ্রুত ছাড় করতে হবে।
এ সরকারের সবচেয়ে অর্জন কৃষির বহুমুখীকরণ ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন যার ফলাফলে আমরা দেখছি বাংলাদেশ এখন চাল উত্পাদনে চতুর্থ, স্বাদু পানির মাছ উত্পাদনে দ্বিতীয়, পাট উত্পাদনে দ্বিতীয়। বাংলাদেশের এই রূপান্তরের পেছনে যে চালিকাশক্তিগুলো কাজ করেছে, সেগুলো হলো সরকারের উন্নয়ননীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, গ্রামাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগের বিস্তৃতি, সামাজিক পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণ, তৈরি পোশাকশিল্প এবং অন্যান্য সামাজিক সূচকে (প্রত্যাশিত গড় আয়ু, শিক্ষা ও জেন্ডার-সমতায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমানো) উন্নতি।
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০) সমাপ্ত হয়েছে এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)-এর দলিল গত একনেক সভার (২৩ ডিসেম্বর, ২০২০) অনুমোদন লাভ করেছে, যা এ সরকারের একটি বড় অর্জন বলে প্রতীয়মান হয়। একটি সময়োপযোগী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও এর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন অর্থনীতির পর্যায়ক্রমিক অগ্রগতির জন্য বিশেষভাবে তাত্পর্যবহ। কাজেই অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সুস্পষ্ট রূপরেখার প্রতিফলন ঘটবে। এবারের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি আরেক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বর্তমানে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যও রয়েছে সরকারের। এসব লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রয়োজনীয় নীতি সংযোজন এবং তার বাস্তবায়ন কৌশলের সমাবেশ ঘটাতে হবে এতে।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি সত্ত্বেও ভবিষ্যতে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তার মধ্যে আছে (১) আমাদের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, যারা ১৫-২৯ বছর বয়সের এখনো ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষা, কাজে ও প্রশিক্ষণে যুক্ত নেই। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে উত্পাদনশীল কাজে লাগাতে হবে, (২) ভবিষ্যতে উন্নত দেশ হতে হলে জ্ঞানভিত্তিক সমাজের বিকল্প নেই, (৩) রূপকল্প ২০২১-এর আলোকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি যার প্রমাণ অনলাইন শ্রমবাজারে ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। (৪) রপ্তানি পণ্যের ভেতরে ও বাইরে বহুমুখীকরণে নজর দিতে হবে, মানসম্মত পণ্য উত্পাদনে প্রতিযোগ সক্ষমতা বাড়াতে হবে, আমাদের অবকাঠামো খাতে আরো বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, (৫) বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে করোনা মহামারি নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রতিক দারিদ্র্য বৃদ্ধি, শ্রমজীবী ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মজীবীদের অনেকের কর্মসংস্থান হারানো এবং নতুন কর্মসংস্থানে ধীরগতি, ভোগ চাহিদায় স্থবিরতা। ফলে কর জিডিপি হার কমে গিয়ে সরকারি আয়ে সীমাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর যথোচিত ও সতর্ক পরিচালনা এবং ব্যবসায়ী মহলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশ শিগিগরই সংকট কাটিয়ে উঠে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছবে বলে আশা করা যায়, (৬) আমাদের একটি আবর্তনিক সমস্যা হলো নীতির সঙ্গে বাস্তবায়নের বিস্তর ব্যবধান, নীতি-পরিকল্পনায় অনেক সুন্দর সুন্দর কিন্তু তার যথাযথ বাস্তবায়ন হয় না। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। আশা করি এ থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনের পথ চলার পথটি সুগম হবে এই প্রত্যাশা রইল।
লেখক :অধ্যাপক, ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
ইত্তেফাক/টিআর