বাবা শ্রমিকের কাজ করতেন। যা পেতেন তা দিয়ে ভালোভাবেই চলে যাচ্ছিল সংসার। কিন্তু, করোনার কারণে হওয়া লকডাউনের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়। লকডাউনের প্রভাব পড়ে বাবার আয়ে। এর ফলে স্কুলের ফি দিতে পারছিল না এক শিক্ষার্থী। তাই ডাকাতি করে সেই টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু, শেষরক্ষা হল না। তদন্তে নেমে আরও তিন অভিযুক্তের সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগর জেলার রুদ্রপুর শহরে।
জানা গেছেও, গত বৃহস্পতিবার রুদ্রপুর শহরের বলবন্ত এনক্লেভ কলোনি রেসিডেন্সিতে শচীন শর্মা নামে এক ব্যক্তির মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ৫ লাখ রুপি লুট করার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে চার জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন কিশোরকে দেখে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সে জানায়, তার বাবা রুদ্রপুরের একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। আর সে শহরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। লকডাউনের জেরে তার বাবার আয় কমে যাওয়ায় স্কুলের ফি জমা দিতে পারছিল না। সেই টাকা জোগাড় করতে বাকিদের সঙ্গে ডাকাতিতে এসেছিল।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা অমিত কুমার বলেন, ওই কিশোরকে গ্রেফতার করার পর স্কুলের বেতন দিতে সে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার বাবা একজন শ্রমিক ও লকডাউনে মাইনে কমার বিষয়টিও সত্যি বলে জানা গেছে। তবে এখনও তদন্ত চলছে তারপরই এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে।
ইত্তেফাক/এআর