বাফুফে ভবনটির মূল পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছিল ফিফা। ফিফার টাকায় গড়ে উঠছিল ফুটবল ভবন। একপাশে মূল ভবন। যেখানে বাফুফের সভাপতি, সিনিয়র সহ সভাপতি চার সহসভাপতি সাধারণ সম্পাদকের রুম, অফিস কক্ষ সবই রয়েছে। নিচ তলায় জিমনেসিয়াম করার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে বাফুফে গোডাউন বানিয়ে রেখেছে। জিমনেসিয়ামের জায়গায় বছরের পর বছর মালামাল রাখা আছে। সেখানে জিম হবে হবে করে শেষ পর্যন্ত জিম হলো না। বাফুফে জিম স্থাপন করছে ভবনের সামনে সবুজ আঙ্গিনায়। সবুজ ঘাস, চারদিকে গাড় রোপণ করা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল ছবির মতো করে ভবনটা নির্মাণ করেছিলেন। ভবনে অতিথিরা প্রবেশ করবে গাড়িতে। সে কারণে রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য জায়গাও ছেড়েছিলেন। ফিফার সভাপতি থেকে শুরু করে বিশ্ব ফুটবলের অতিথি ভবন আঙ্গিনায় ঢুকেই সবুজ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। সেই সবুজ মাঠে জিমনেসিয়াম স্থাপন করা হচ্ছে।
গতকাল বিকালে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন নির্মাণকাজের ভিত গড়লেন। ইংল্যান্ড হতে আসবে জিমের আধুনিক যন্ত্র। খেলোয়াড়রা মানসম্পন্ন ক্রীড়া সামগ্রী ব্যবহার করবে। বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর পলস্মলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি সবকিছু পছন্দ করে আনার ব্যবস্থা করেছে। বাফুফের ডেভেলপম্যান্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক বললেন, ‘কত টাকা খরচ হবে সেটা বিষয় না। জিম হবে। ইংল্যান্ড হতে তিন ধাপে যন্ত্রপাতি আসবে।’