আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি। গাজরকে বলা হয় শক্তিশালী খাদ্য উপাদান। এতে আছে উচ্চমানের বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘এ’, মিনারেলস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো চোখের নানা সমস্যায় গাজর বাধা সৃষ্টি করে। ব্রণ, চামড়া ঝুলে পড়া এবং হূদরোগ প্রতিরোধ করে। দেহের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের কোষ নষ্ট হয়। কোষের ক্ষতির পরিমাণ কমায় গাজর।
গবেষণায় দেখা গেছে, গাজর ফুসফুস, স্তন, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্রের (কোলন) ক্যানসার রোধ করে। হজমের পর খাবারের কিছু উচ্ছিষ্ট আমাদের শরীরে থেকে যায়, যাকে ফ্রি র্যাডিকেলস বা মৌল বলে—শরীরের কিছু কোষ নষ্ট করে দেয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার এর বিরুদ্ধে লড়াই করে। রান্না করে খেলে দেহের রক্তে ক্যারোটিনোয়েডের শোষণ অনেক বাড়ে। গাজরের ডায়েটরি ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ধমনির ওপর কোনো কিছুর আস্তরণ জমতে না দিয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। গাজরের পুষ্টি উপাদান ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, ত্বকে দাগ পড়া এবং বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে গাজর ভীষণভাবে সাহায্য করে। গাজরে ক্যালরি এবং সুগারের উপাদান খুবই কম। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক।
গাজরের হালুয়া অত্যন্ত মুখরোচক ও সুস্বাদু। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা গাজর খেলে পুষ্টিমান অটুট থাকে।
প্রদীপ সাহা