নূরুল মোহাইমীন মিল্টন, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ শমশেরনগর বাজারে নিত্যদিন যানজট লেগেই আছে। রাস্তার দুই পাশে যত্রতত্র যানবাহন রাখায় প্রতিদিন দফায় দফায় দীর্ঘসময় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় জানা যায়, উপজেলার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ শমশেরনগর বাজার চৌমুহনায় পাঁচটি রাস্তার সংযোগ। চৌমুহনা হয়ে চাতলাপুর শুল্ক স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা, কৈলাশহরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শমশেরনগর-কুলাউড়া, শমশেরনগর-শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। তবে রাস্তার দুই পাশে সিএনজি-অটোরিকশাস্ট্যান্ড ও ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশা, টমটমসহ নানা ধরনের গাড়ি পার্কিং থাকার কারণে এখানে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। শমশেরনগর বিমান বাহিনী ইউনিট, রেলস্টেশন, বিএএফ শাহীন কলেজ, সুজা মেমোরিয়াল কলেজ, হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, এ এ টি এম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন, মাদ্রাসা, বাণিজ্যিক ব্যাংক, পুলিশ ফাঁড়ি, পোস্ট অফিস, চা-বাগানসহ নানা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, পথচারী ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সময়ে যানজটে আটকা পড়তে হচ্ছে। সড়কের প্রস্থ কম হওয়া ও রাস্তার পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং থাকায় হেঁটে চলাচলও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। শমশেরনগর বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সিএনজি-অটোরিকশাস্ট্যান্ড, টমটম ও ব্যাটারিচালিত রিকশার বিচরণ থাকে। ফলে সড়কের এই স্থানেই বেশির ভাগ সময় যানজট সৃষ্টি হয়।
ব্যবসায়ী নিবাস শীল, মো. মাফি, মহিউদ্দীন, শিক্ষক জমশেদ আলী, বিপ্লব ভূষণ দাসসহ পথচারীরা বলেন, প্রতিদিন যানজটের কারণে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। মানুষের হেঁটে চলার সুযোগটুকুও থাকছে না। তারা আরো বলেন, রাস্তার দুই পাশে রিকশা, গাড়ি ফেলে রাখায় এ সমস্যা হচ্ছে। তাদের কিছু বললেও রাস্তায় গাড়ি রেখেছেন বলে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এসব দেখার দায়িত্ব পুলিশের।
এ ব্যাপারে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে আমি সিএনজি-অটোরিকশা চালকদের ডেকে কথা বলব।