সিরাজগঞ্জ, গুরুদাসপুর ও জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচন
ইত্তেফাক ডেস্ক
সিরাজগঞ্জ, গুরুদাসপুর ও জগন্নাথপুরে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৬ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। মাইকিং, পোস্টারিং ও ব্যানার ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রার্থী ও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। চলছে উঠান বৈঠক ও আলোচনাসভা। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
সিরাজগঞ্জ : জেলার চারটি পৌরসভায় ভোটের মাঠে লড়ছেন বিভিন্ন দলের ৯ জন মেয়র প্রার্থী। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জে পাঁচ পৌরসভায় নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে কাজীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি চার পৌরসভায় মেয়র পদে ভোট হবে। সিরাজগঞ্জ শহরের ভোটার শাহিদুল ইসলাম জানান, পৌর নির্বাচনের পর যারা পৌরসভার উন্নয়ন করবে তাকেই নির্বাচনে ভোট দেব । শহরের চা-বিক্রেতা হরিপদ জানান, দোকানে এখন শুধু ভোটেরই আলাপ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা জমজমাট। চা বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
গুরুদাসপুর (নাটোর) : দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পৌর নির্বাচন ঘিরে দল মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ আলীর সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বিপ্লব (নারিকেলগাছ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুল (ধানের শিষ)। উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন অবশ্য দলীয় মনোনয়ন চাননি। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে (মোবাইল ফোন) নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ডা. মোহাম্মদ আলী (জগ), আব্দুস সালাম রনি (ক্যারম বোর্ড) নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অবশ্যই তিনি মেয়র নির্বাচিত হবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন ও ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রচার-প্রচারণায় তাদের কোনো বাধা নেই। দলমত নির্বিশেষে তারা ভোট পাবেন। নৌকার প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ আলী বলেন, এবারও নৌকায় ভোট দিয়ে জনগণ বিজয় সুনিশ্চিত করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, নির্বাচন ঘিরে দিনরাত মাঠে কাজ করা হচ্ছে।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) : জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচ জন, সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন এবং ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মিজানুর রশীদ ভূইয়া (নৌকা), বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হারুনুজ্জামান হারুন (ধানের শিষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক মেয়র আক্তারুজ্জামান আক্তার (চামচ), স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমজাদ আলী শফিক (মোবাইল ফোন) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবসায়ী বিষ্ণু রায় বিশ্ব (জগ) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।