অস্ট্রেলিয়াকে হটিয়ে শীর্ষে নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের ফল অনুমিতই ছিল। অবশ্য ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তান বলেই শঙ্কা কাজ করাটা অস্বাভাবিক কিছু না। কিন্তু কাইল জেমিসনের তোপের সামনে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল একেবারেই জবাবহীন। তাই দাপটের সঙ্গে সিরিজ জেতার পাশাপাশি প্রথম বারের মতো টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠল নিউজিল্যান্ড। সফরকারীদের ইনিংস ও ১৭৬ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দেয় তারা।

‘বেটার লেট দেন নেভার’—এতদিন যা স্বপ্নে দেখে আসছিল, সেটা বাস্তবে রূপ দিতে ৯০ বছর কেটে যায় কিউইদের। আর এই সাফল্যের অন্যতম কারিগর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তার নেতৃত্বেই ঘরের মাঠে টানা ১৭ টেস্ট অপরাজিত কিউইরা। এই সময়ে রানের পর রান উপহার দিয়েছেন উইলিয়ামসন। পাকিস্তানের বিপক্ষেই এক সেঞ্চুরি ও ডাবল সেঞ্চুরিসহ ৩৮৮ রান করে হয়েছেন সিরিজ সেরা।

তবে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের মূল নায়ক জেমিসন। তার আগুনে বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। তাই ১৮৬ রানে গুটিয়ে চতুর্থ দিনেই ম্যাচের ইতি টানতে বাধ্য হয় সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া জেমিসনের দ্বিতীয় ইনিংসে শিকার আরো ৬ উইকেট। ৬ টেস্টের ক্যারিয়ারে প্রথম বার ম্যাচে ১০ বা তার বেশি উইকেট পেলেন এই পেসার।

গতকাল ৮ রানে ১ উইকেট নিয়ে দিন শুরু করেন আবিদ আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস। দিনের চতুর্থ ওভারে আব্বাসকে ফেরান ট্রেন্ট বোল্ট। এরপর বল হাতে ধস নামান জেমিসন। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে আজহার আলী ও জাফর গোহারের ব্যাট থেকে। জেমিসন ৪৮ রানের ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ট্রেন্ট বোল্ট নেন ৩টি।

এই জয়ের পর অস্ট্রেলিয়াকে (১১৬) পেছনে ফেলে ১১৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টেস্ট র্যাংকিংয়ে শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। আর ৪২০ পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয়তে আছে তারা। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

পাকিস্তান : ২৯৭ ও ১৮৬ (আবিদ ২৬, আজহার ৩৭, ফাহিম ২৮, গোহার ৩৭, বোল্ট ৪৩-৩, জেমিসন ৪৮-৬)।

নিউজিল্যান্ড : ৬৫৯/৬ (ডি.)

ফল : নিউজিল্যান্ড ইনিংস ও ১৭৬ রানে জয়ী

ম্যাচ সেরা : কাইল জেমিসন।

সিরিজ সেরা : কেন উইলিয়ামসন।