আগামী পাঁচ বছর ইলিশ রপ্তানি করা হবে না জানিয়ে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, এখনো গ্রামের অনেক মানুষ ইলিশের স্বাদ নিতে পারে না। তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশ খাওয়ার সুযোগ করে দিতে চাই। তারপর রপ্তানির কথা ভাবা যাবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটানা দায়িত্ব পালনের যুগপূর্তি উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে সরকারের সুব্যবস্থাপনার কারণে ইলিশ উত্পাদনে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দুধের উত্পাদন ২০০৮-০৯ সালে ছিল ২.২৯ মিলিয়ন টন। তা এখন ১০.৬৮ মিলিয়ন টনে এসে দাঁড়িয়েছে। মাছ, মাংস সবকিছুরই উত্পাদন বেড়েছে। তিনি বলেন, গত এক যুগের ব্যবধানে ইলিশ উত্পাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে ১ নম্বরে, তেলাপিয়া উত্পাদনে চতুর্থ, অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মাছ উত্পাদনে তৃতীয় এবং চাষের মাছ উত্পাদনে বিশ্বের বড় বড় দেশকে অতিক্রম করে আমরা পঞ্চম স্থানে আছি।
শ ম রেজাউল করিম দেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি আজ বিশ্ববাসীকে বিস্মিত করেছে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে এক বিস্ময়। তিনি বলেন, আশা করছি, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের একুশতম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। শেখ হাসিনা থাকলে বাংলাদেশে কোথায় পৌঁছে যেতে পারে, তা আজ প্রমাণিত। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, যারা দেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে চায়, আবার জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচি দিতে চায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে তাদের যে কোনো মূল্যে প্রতিরোধ করা হবে।