৯ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ জনসংযোগ শুরু

কচুয়া পৌরসভা নির্বাচন

কচুয়া (চাঁদপুর) সংবাদদাতা

কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ১০ জনের নামের তালিকা জেলায় প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এরই মধ্যে আট জন দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, বিএনপির পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন এক জন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন বর্তমান মেয়র উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপন, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল জব্বার বাহার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতার হোসেন সোহেল ভূইয়া, সহসভাপতি জাবরুল হাসান শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ সুজন, আওয়ামী লীগ নেতা আহসান হাবীব প্রানজল, আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ এলাকার ভোটারদের দোয়া কামনার পাশাপাশি ঢাকাতে আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সম্মতি আদায়ে জোর সংযোগ চালাচ্ছেন। এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত এক জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের খবর পাওয়া গেছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী হলেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র হুমায়ুন কবির প্রধান। উল্লেখ্য, কচুয়া পৌরসভা নির্বাচন চতুর্থ ধাপে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

দাগনভূঞায় চলছে প্রচার-প্রচারণা

দাগনভূঞা (ফেনী) সংবাদদাতা জানান, ১৬ জানুয়ারি দাগনভূঞা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচার-প্রচারণা চলছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন জনসংযোগ করছেন প্রার্থীরা। তবে কয়েকটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলছেন কেউ কেউ। এই ব্যাপারে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাজী সাইফুর রহমান স্বপন (ধানের শিষ) জানান, শঙ্কায় রয়েছি ভোটোর দিন পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় ভোট প্রার্থনা করতে পারব কি না। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি জয়লাভ করব। দাগনভূঞা পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক খান জানান, বিগত দুইবার আমি মেয়র হিসেবে অনেক উন্নয়ন করেছি। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে আমাকে পুনরায় বিজয়ী করবেন বলে আশাবাদী। দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন ইত্তেফাককে জানান, যেহেতু ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হবে, এখানে কারোর কারচুপি করার সুযোগ নেই। তবুও কোনো অনিয়ম হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও রিপন মিয়ার

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, গৌরীপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে পৌরসভার বর্তমান মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মো. রিপন মিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আপিল শুনানি শেষে আপিল বোর্ডের প্রধান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আপিল বোর্ড ৭ জানুয়ারি উভয়ের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সজল চন্দ্র সরকার। গত ৩ জানুয়ারি মেয়র, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে মেয়র পদে ঋণখেলাপির জন্য পৌরসভার বর্তমান মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র এবং হলফনামা তথ্যবিহীন হওয়ায় সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মো. রিপন মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুর রহিম। উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সজল কুমার সরকার জানান, মনোনয়ন জমাদানের শেষদিন পর্যন্ত মেয়র পদে সাত জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। আজকের রায়ের পর সবাইকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে গৌরীপুর পৌরসভার নির্বাচন ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

সৈয়দপুরে ভোটারের মন গলাতে মরিয়া প্রার্থীরা

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, আগামী ১৬ জানুয়ারি সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচন। হাতে রয়েছে মাত্র কয়েকটা দিন। তাই সময় বেশি না থাকায় ভোটারদের সমর্থন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রার্থীরা। তারা কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোট চাইতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। বিরামহীন চালাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। করছেন পথসভাসহ ঘরোয়া সভাও। প্রচারণার বিভিন্ন কৌশলও অবলম্বন করছেন প্রার্থী ও কর্মীরা। করেছেন নির্বাচনি গণসংযোগ ও মিছিল। পৌর এলাকার ১৫টি ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় ঘুরে দেখা গেছে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের এমন তত্পরতা। এদিকে পৌরসভার সংরক্ষিত পাঁচটি ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরাও জোরেশোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান কাউন্সিলরদের পাশাপাশি অন্য নতুন প্রার্থীরাও জয়ের আশা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা।