মুক্তিযোদ্ধাকে লাঠিপেটা সালথা থানার ওসিকে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম

এক মুক্তিযোদ্ধাকে গালিগালাজ ও লাঠিপেটার অভিযোগে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল শনিবার সালথা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, ডেপুটি কমান্ডার শাহদাত্ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, আতিকুর রহমান, রতন মাতুব্বর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সদস্য সচিব কাজী এরশাদ ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমিটির সভাপতি মাহাবুব হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত শুক্রবার উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে মাঝারদিয়া ইউনিয়নের খলিশপুট্টি গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশাররফ হোসেন বয়োজ্যেষ্ঠ পাঁচ-সাত জন লোক মীমাংসার জন্য ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে পুলিশের লাঠিপেটার শিকার হন। বক্তারা বলেন, এ ঘটনায় আমরা বিচার চাই না, আমরা ওসির অপসারণ চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ ওসিকে অপসারণের দাবি করছি। অপসারণ না করলে আমরা আবার রাজপথে নামব।

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পুলিশি পিটুনির শিকার হয়েছেন ঐ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বলেন, গতকাল তিনি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ঐ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখে এসেছেন। ঐ সময় দুই পক্ষের আক্রমণাত্মক পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এর মধ্যেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হয়তো এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গেছে।