দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
দশমিনা উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষ্মীপুর ও পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের সংযোগ সেতুটি (এলজিইডির আওতাধীন) ভেঙে দুই জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় পূর্ব লক্ষ্মীপুর ও পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুটি নিয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের ২০ তারিখ দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ছয় পাতায় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। সেতুটিতে যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করার জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড দেখতে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকালে জমি চাষ করার ট্রাক্টর নিয়ে স্থানীয় জিতেন ব্যাপারীর ছেলে পরিমল ব্যাপারী ও নিকুঞ্জ রায়ের ছেলে স্বপন রায় সেতু ভেঙে ট্রাক্টরসহ নিচে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
পূর্ব লক্ষ্মীপুরের ইউপি মেম্বার আব্দুর রব আকন জানান, সেতুটি পুনরায় নির্মাণ অথবা সংস্কারের জন্য একাধিকবার আবেদন নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পশ্চিম লক্ষ্মীপুরের ইউপি মেম্বার বজলুর রহমান মৃধা জানান, সেতুটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা একাধিকবার জানানো হলেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এলজিইডির অর্থায়নে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রায় একযুগ পূর্বে সেতুটির মাঝখান দিয়ে ভেঙে গিয়ে রড বেরিয়ে যায়। এলজিইডির দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার কথা আমি শুনেছি। আজকে বা কালকে আমি দেখতে যাব। অনেক যায়গায় সাইনবোর্ড লাগিয়েছি কিন্তু থাকে না, স্থানীয় অনেকের কাছে বলেছি তারা যেন একটি সাইনবোর্ড লাগায় কিন্তু কেউ লাগায়নি। উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে দেখব কি করা যায়।