একই ব্যক্তি দুটি কলেজের প্রধান। একটিতে অধ্যক্ষ, অন্যটিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন দুটি প্রতিষ্ঠান থেকেই। এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন ঢাকার মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লুত্ফুন নাহার। আট মাস দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সম্প্রতি তিনি একটি কলেজ থেকে সরে আসেন।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুত্ফুন নাহার। অক্টোবরেও সেখান থেকে বেতন তুলেছেন তিনি। তিনি গত মার্চে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন ঢাকার গেন্ডারিয়ার মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে। কলেজ শাখা এখনো এমপিওভুক্ত না হওয়ায়, স্কুল শাখা থেকে তিনি আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অর্থাত্ একই সঙ্গে তিনি দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ছিলেন।
জানা গেছে, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী অধ্যক্ষের কমপক্ষে ১২ বছরের এমপিওভুক্তির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ব্রাহ্মণশাসন কলেজে লুত্ফুন নাহারের এমপিওভুক্তি হয় ২০১০ সালে। সে হিসেবে তার নির্ধারিত যোগ্যতা ছিল না। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে একটি অভিযোগ জমা পড়েছে।
তবে লুত্ফুন নাহার বলেন, করোনার কারণে অনেক সমস্যা হয়েছে। আমি ঢাকার কলেজটিতে যোগদান করেছি কিন্তু বেতন-ভাতা নেইনি। ব্রাহ্মণশাসন কলেজ থেকেই নিয়েছি। নিজ হাতে এই কলেজটি উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছি। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে কলেজটি ছেড়ে এসেছি। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছে তা অসত্য।