স্পোর্টস রিপোর্টার
নব্বই দশকের আগে ঢামফার সম্পাদক ক্রীড়া সংগঠক আরশাদ আলী মঙ্গল যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ফুটবল দল ভালোই ছিল। ৯৪ সালে আরেক সংগঠক মনজুর কাদের দায়িত্ব নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফুটবল দলকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। দেশের সব তারকাদের দলে নিয়ে ফুটবলারদের পা হতে পুলপ্রথা, জেন্টেলম্যান্ট অ্যাগ্রিমেন্ট নামের শিকল ভেঙে দিয়েছিলেন মনজুর কাদের। তিনি দলের হাল ছেড়ে দেওয়ার পর আবার হারিয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। ধুকতে থাকা ফুটবল দল এবার যেন ডুবতেই বসেছিল। হারিয়ে যেতে বসেছিল। দলে থাকা ইউসুকে কাতো নামের একজন জাপানি ফুটবলার মুক্তিযোদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানালেন তার ফেসবুকে। তার পরই ভালো সাড়া। স্পন্সর পেয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ফুটবল দল। ফেডারেশন কাপে জাপানি একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১০ লাখ টাকা দিয়েছিল। এবার এগিয়ে এসেছে প্রযুক্তিখাতের প্রতিষ্ঠান ‘হিসাব’। এই প্রতিষ্ঠান গতকাল দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে মুক্তিযোদ্ধাকে পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য এক বছরের চুক্তি সম্পন্ন করে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের সিইও যুবায়ের আহমেদ, ফায়াদান ফারাবি, হিসাব এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সংগঠন ভয়েজ ব্রিজের এমডি শামীম আরা খানম, ফুটবল ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম, অধিনায়ক জাপানের ইউসুকে কাতো সাবেক, ক্রিকেট তারকা রকিবুল হাসান।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী এই জাপানি ফুটবলারের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ জানালেন ইউসুকে কাতো তার ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা আপলোড করলে সাড়া পাওয়া যায়। দেশের ফুটবলে এক জাপানির ভালোবাসার কথা তুলে ধরলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আজকের যে আয়োজন তার সবকিছুর মূলে রয়েছেন কাতো। তার স্টেটম্যান্ট দেখে এগিয়ে এসেছেন অন্যরা। জাপানি দূতাবাস, যুবায়ের আহমেদ, শামীম আরা খানমরা এগিয়ে এসেছেন।’ চুক্তি অনুষ্ঠানে জানা গেছে বসুন্ধরা গ্রুপও মুক্তিযোদ্ধার সঙ্কটে অবদান রাখছেন।