জনে জনে প্রার্থীদের ধরনা প্রচারপত্র বিলি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের আর মাত্র ১৬ দিন বাকি। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ড, অলিগলি, হাটবাজার, পাড়া-মহল্লা ও আবাসিক এলাকাগুলো মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের রুটিন প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে। জনে জনে, ঘরে ঘরে, দোকান ও হাটবাজারে প্রার্থীরা দিচ্ছেন ধরনা। দিচ্ছেন উন্নয়নের আশ্বাস। বিলি করছেন লিফলেট, প্রচারপত্র। টাঙিয়ে দিচ্ছেন শত শত সাদাকালো পোস্টার।

ইতিমধ্যে ভোট গ্রহণের জন্য ১১ হাজার ৫৭২টি ইভিএম প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞরা এসে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গেছেন। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য আরো অতিরিক্ত ইভিএম থাকবে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৭৩৫টি। সেগুলোতে কক্ষ রয়েছে ৪ হজার ৮৮৬টি। প্রতিটি ভোটগ্রহণ কক্ষে একটি করে ইভিএম মেশিন থাকবে। গতকাল সোমবার চতুর্থ দিনের দলীয় প্রচারণায় নগরীর মোহরা, চান্দগাঁও ও পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এর আগে সকাল বেলায় তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এক দফার প্রস্তাবকারী চট্টল শার্দূল জননেতা এম আজিজের কবর জিয়ারত করেন এবং মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় যোগ  দেন। গণসংযোগকালে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। গণমানুষের কল্যাণই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। তাই আমি আপনাদের কাছে এসেছি দোয়া নিতে।’

এদিকে গতকাল নগরীর ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডে দিনভর গণসংযোগ করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। নগরীর বহদ্দারহাটে হক মার্কেটের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, পুরাতন চান্দগাঁও থানা, মৌলভী পুকুরপাড়, ওসমানিয়া গ্লাস ফ্যাক্টরি, বাহির সিগন্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় তিনি এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। নেতাকর্মীরা এলাকার সাধারণ জনগণের মধ্যে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারপত্র বিলি করেন। গণসংযোগকালে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ। বিএনপি কোনো দেশের তাঁবেদারি করে না। তাই আমাদের এই স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধের দল বিএনপিকে আবারও ক্ষমতায় আনতে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।