স্পোর্টস ডেস্ক
বার্সেলোনাতে মেসি-পরিস্থিতির দিকে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখলেও আপাতত দলের মূল দুই তারকা নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপেকে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করানোই পিএসজির মূল লক্ষ্য, খবর ইএসপিএনের।
সামনের জুনেই চাইলে বার্সার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিতে পারেন লিওনেল মেসি। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই মেসির নতুন গন্তব্য হওয়ার দৌড়ে থাকবে পিএসজি। স্বদেশি মেসিকে বলে-কয়ে দলে ভেড়াতে পারবেন, ম্যানেজার হিসেবে আর্জেন্টাইন কোচ মউরিসিও পচেত্তিনোকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে অন্যতম কারণও ছিল এটি; দাবি ক্লাবসংশ্লিষ্টদের। তবে এই মুহূর্তে মেসির আগে নেইমার ও এমবাপেকে ধরে রাখার চেষ্টায় ব্যস্ত ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। ২০২২-এর জুনেই শেষ হয়ে যাবে এই দুই তারকার চুক্তি। তাই এই মৌসুমের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর না করলে সামনের দলবদলে তাদেরকে বিক্রি করা ছাড়া আর উপায় থাকবে না ক্লাবের হাতে। স্বল্প বয়সেই বৈশ্বিক স্বীকৃতি পাওয়া ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপেকে দলে ভেড়ানোর অপেক্ষায় আছে রিয়াল মাদ্রিদ ও লিভারপুল। আর ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে গত কয়েক মৌসুম ধরেই ফেরত নেওয়ার চেষ্টায় আছে বার্সা। সামনের দলবদলে সেই চেষ্টা সফল হলে আবার ন্যু ক্যাম্পেই পুনর্মিলিত হতে পারেন মেসি-নেইমার। তবে এই সম্ভাবনায় সুর মেলাচ্ছেন না পিএসজি সভাপতি নাসের আল খেলাইফি। কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি সাফ বলেছিলেন, ‘ওরা (নেইমার-এমবাপে) থাকতে চায়’।
ইএসপিএনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুই তারকার সঙ্গে ক্লাবের সাম্প্রতিক কথাবার্তাও এগুচ্ছে ইতিবাচকভাবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, যদি মৌসুম শেষে নেইমার-এমবাপে দুই জনই নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সেক্ষেত্রে মেসিকে আনা কিছুটা কঠিন হয়ে যাবে পিএসজির জন্য। কেননা কেউ বেতন না বাড়ালেও তিন জনের পেছনে বছরে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি খরচ করতে হবে ক্লাবের, যা এক কথায় অসম্ভব। সেক্ষেত্রে মৌসুমের শুরুতে একবার ক্লাব ছাড়ার ডাক দেওয়া এমবাপের রিয়াল মাদ্রিদ বা লিভারপুলে যাওয়ার পথ খুলে যেতে পারে। আর অবস্থা বেশি বেগতিক হলে সামনে নেইমার-এমবাপে দুই জনকেই হারাতে হতে পারে পিএসজির।