পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বেড়াতে এনে প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নওগাঁর রাণীনগরে বিধবাকে ধর্ষণের মামলায় দুই জন এবং নীলফামারীর ডোমারে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুরের সালথায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, বিয়ের প্রলোভনে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে প্রেমিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতা ঐ নারীর বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলা তালতলীর সারিকখালী গ্রামে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে ধর্ষিতা বাদী হয়ে মহিপুর থানায় তিন জনকে আসামি করে মামলা করলে রাতেই পুলিশ প্রধান আসামি রনি প্যাদা, মাইনুল ইসলাম ও হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলামকে আটক করে।
রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, রাণীনগরে বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম, স্থানীয় মাতাব্বরসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে শুখানদীঘি গ্রামের মাতাব্বর জামাল হোসেন ও বড়গাছা গ্রামের অফির উদ্দীনকে গ্রেফতার করে। ধর্ষণের ঘটনায় ঐ বিধবা বাদী হয়ে রবিবার রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপার অভিযোগ এনে ইমাম জাকিরুল, মাতাব্বর জামালসহ তিন জনকে নামীয় এবং আরো তিন-চার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শুভ চন্দ্র শেনকে (১৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে পঞ্চগড় জেলার বোদা বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুভ উপজেলার জোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বেতগারা সেনপাড়া এলাকার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ছেলে। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শুভকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার আমোরদী গ্রামের আবু দাউদ দুলালের ছেলে সোহাগ হোসেন (১৮) ঐ ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ৭ জানুয়ারি রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আমোরদী গ্রামের একটি বাগানের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনাটি অর্থের বিনিময় মীমাংসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।