এমসি কলেজ হোস্টেলে গৃহবধূ ধর্ষণ

অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত। বাদীপক্ষের আইনজীবীর কোনো আপত্তি না থাকায় আদালত শুনানি শেষে অভিযোগপত্রটি আমলে নেয়। গতকাল মঙ্গলবার অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি শেষে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী এই আদেশ দেন। 

এর আগে গত রবিবার  একই আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চাইলে আদালত দুই দিনের সময় দেয়। এর আগে ৩ জানুয়ারি মামলার অভিযোগ গঠনের প্রথম শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। ঐ তারিখেও বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনায় সময় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে মামলার নথিপত্র বাদীপক্ষ না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আবার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা আদালত থেকে অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করার জন্য দুই দিনের সময় নিয়ে তা পর্যালোচনা করে দেখেছি সব আসামিকে অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যার জন্য আমরা আপত্তি জানাইনি। অভিযোগপত্রের ব্যাপারে আমরা বাদীপক্ষের আইনজীবী সন্তুষ্ট পোষণ করলে আদালত তা আমলে নেন।’

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে (২০) দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয় জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে।