সারা দেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১ হাজার ২০১টি ভাস্কর্য ও ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আরো ১৯টি ভাস্কর্য ও ম্যুরাল এখনো নির্মাণাধীন রয়েছে। নির্মিত এসব ভাস্কর্য ও ম্যুরালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অব্যাহত গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের আইজিপির পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এক আদেশে তত্কালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের সেই দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস’ ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট জারির জন্য নির্দেশনা দেয়। একই সঙ্গে মুজিববর্ষের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল (প্রতিকৃতি) স্থাপন করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আরেক আদেশে হাইকোর্ট বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত ও নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ও ম্যুরালের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়। ঐ নির্দেশনা মোতাবেক মন্ত্রিপরিষদের চিঠির প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন গতকাল আদালতে উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। তিনি আদালতে বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরে তিনি প্রতিবেদনগুলো আদালতে পড়ে শোনান।