স্পেনের মধ্যাঞ্চলে তুষারঝড় ও ঠাণ্ডায় সাত জনের মৃত্যু

স্পেনের মধ্যাঞ্চলে তুষারঝড়ের পর হিমশীতল আবহাওয়াজনিত কারণে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রবীণদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

রাজধানী মাদ্রিদের পূর্বের পার্বত্যাঞ্চল মোলিনা দে আরাগন ও তেরুয়েলে সোমবার রাতে তাপমাত্রা মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। অন্তত ২০ বছরের মধ্যে এটি স্পেনের সবচেয়ে শীতল রাত ছিল। তুষারঝড় ফিলোমেনার রেখে যাওয়া গভীর তুষার তীব্র ঠান্ডায় বরফে পরিণত হওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনিতে স্পেনে শীতকালে তেমন ঠান্ডা না পড়লেও এবার প্রচুর তুষারপাত হয়েছে ও বরফ জমেছে। মাদ্রিদের ১৯৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের মোলিনা দে আরাগনে সবচেয়ে শীতল রাত্রিকালীন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। স্থানীয় নারী জোলি আসেনসিও বলেছেন, ‘আরো কয়েক দিন এ রকম ঠান্ডা থাকবে। জীবন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। প্রচুর তুষারপাত হয়েছে, বাড়ি ও রাস্তাগুলোতে ঢোকার পথ বন্ধ হয়ে আছে।’ সর্বশেষ বার্সেলোনায় দুই জন গৃহহীন লোকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে মাদ্রিদে দুই জন, মালাগায় দুই ও সারাগোসায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে মাদ্রিদের তাপমাত্রা মাইনাস ১৬ সেলসিয়াসে নেমে যায়। এরই মধ্যে কোভিড-১৯-এর কারণে প্রবল চাপে থাকা রাজধানীর হাসপাতালগুলো বরফে পিছলে গিয়ে হাড় ভেঙে যাওয়া রোগীদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। সোমবার শুধু মাদ্রিদ অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতেই হাড় ভাঙা ১ হাজার ২০০ রোগী এসেছে বলে চিকিত্সা কর্মকর্তারা দৈনিক এল মুন্দোকে জানিয়েছেন।  ত্রাণ সংস্থা সেইভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, মাদ্রিদ অঞ্চলের লা কানাদা রেয়াল গালিয়ানা এলাকায় বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২ হাজার শিশু ও তাদের পরিবার শূন্য তাপমাত্রার নিচে বিদ্যুিবহীন অবস্থায় রয়েছেন।