কোনো কোনো দিন আমার ভেতরে তৈরি হয়
কৃষ্ণপক্ষের প্রগাঢ় তৃষ্ণা,
কোনো এক শহরে বেড়াতে গেলে—শুনতে পাই
ইঁদারার ভেতর থেকে উঠে আসছে রোদন,
যখন পারি না যেতে কোথাও
বাড়ে না পরিধি—পরিব্যাপ্ত হয় না ভ্রমণ,
ভদ্রাসনের সিঁড়িগুলো ডুবে যেতে থাকে
ধাপে ধাপে মনসুনের মগ্ন সয়লাবে,
শাপলা-শালুক নিদ্রা ভেঙে জেগে ওঠে পাললিক খোয়াবে।
যখন আমার—থাকে না করার তেমন কিছু
পালতোলা পর্তুগিজ জাহাজ পাড়ি দেয় মালাক্কা প্রণালী,
সুমাত্রার টেরাসে টেরাসে অজস্র শতাব্দী জুড়ে
কারা যেন ফলাচ্ছে শিশিরের সোনালু আভায় জারিত রূপশালী;
কত কিছু ঘটে যায় নিরলে
কেউ ভাবে না—কী হবে কার—অবশেষে কী-বা পরিণাম,
রাইন উপত্যকায় ক্যাসোলের ছায়া ভাসে স্রোতে
চীনামাটির পেয়ালায় উষ্ণজলে ফুটে ওঠে ক্রিসেনথিমাম।