সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমি প্রশাসনকে বলেছি কিন্তু অদৃশ্য শক্তির ইশারায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এখানে ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট রূপালী চত্বরে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
কাদের মির্জা বলেন, আমার স্পষ্ট বক্তব্য আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব, ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে কথা বলব। এ নির্বাচন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। একরামুল করিম চৌধুরী ধানের শীষের প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরীর কাছে ১ কোটি টাকা পাঠিয়েছে, নির্বাচনে আমাকে হারানোর জন্য। তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ভোটের দিন কোনো অনিয়ম হলে আপনারা বাঁশের লাঠি তৈরি করবেন, ভোট চোরদের খতম করবেন। যদি আমার এলাকার কোনো কর্মী ও ভোটারকে রাস্তায় বাঁধা দেওয়া হয়, বাড়িঘর পোড়ানো হয়, যদি এখানে রক্ত ঝরে, যদি ভোটে অনিয়ম হয়, যদি জাল ভোট দেওয়া হয় তবে এর দায়-দায়িত্ব নোয়াখালীর ডিসি, এসপি ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নিতে হবে।
এই মেয়র প্রার্থী আরো বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন দলে উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। তারা কিসের রাজনীতি করেন? তিনি বলেন, আমি নোয়াখালীর অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় একরাম চৌধুরীর মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। সে বুঝতে পেরেছে নোয়াখালীতে টেন্ডার বাণিজ্য, চাকরি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আমার এ প্রতিবাদে নোয়াখালীর কিছু কিছু নেতার কদর বেড়েছে। একরাম তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছে।