চসিক নির্বাচন :ওয়ার্ড পরিক্রমা

মাদক চাঁদাবাজির সমূলে উত্খাত চান পূর্ব মাদারবাড়ীর ভোটাররা

চট্টগ্রাম অফিস

আচরণবিধির কড়াকড়িসহ নানা সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন প্রার্থীরা। গত ৮ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরুর পর গত এক সপ্তাহে কমপক্ষে ১৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে রির্টানিং অফিসারের কাছে। অভিযুক্তদের তালিকায় বড় দুই দলের মেয়র প্রার্থীসহ কয়েক জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি কঠোর নজরদারিতে রেখেছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। তবে আচরণবিধির চেয়েও আরো বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। কিন্তু কোনো আতঙ্কেই দমে যাওয়ার পাত্র নন প্রার্থীরা। উচ্ছ্বাসের ঘাটতি নেই সাধারণ ভোটারদের মাঝেও। সকল আতঙ্ক জয় করেই চসিক নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে চট্টগ্রাম।

গতকাল শুক্রবার নগরীর বাকলিয়া এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও পথসভা করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। পথসভায় আহমদ হোসেন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিমকে স্বাধীনতা ও উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বাকলিয়াসহ নগরীর কিছু এলাকায় মাদক ও জুয়া একটি ভয়াবহ সমস্যা। মেয়র হলে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করা হবে। বাকলিয়াকে শহরের ভেতর নতুন আরেক শহরে রূপান্তর করা হবে। এখানে থাকবে আধুনিক হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, পার্ক ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। কর্ণফুলির তীরে মনোরম পর্যটন স্পট গড়ে তোলা হবে।

সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, জলমগ্নতা বাকলিয়া এলাকার একটি বড় সমস্যা। জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগাপ্রকল্প সম্পন্ন হলে এ সমস্যার একটা সুরাহা হবে। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোটারদের নৌকায় ভোট দিয়ে রেজাউল করিমকে মেয়র নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।  

ডা. শাহাদাতের সঙ্গে পথসভায় অংশ নেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইউনুচ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন প্রমুখ।