ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, ‘মরণ ব্যাধি করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকব ইনশাল্লাহ। ’
রবিবার ( ১৭ জানুয়ারি) বিকালে পৌর সদরের ৭নং ওয়ার্ডে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিক্সন চৌধুরী এ সব কথা বলেন।
নিক্সন চৌধুরীর মতে, সারাদেশে লকডাউনের কারণে যখন মানুষ দিশেহারা হয়ে অভাব-অনাটনে দিন কাটাচ্ছিল। তখনও আমি মরণের ভয়কে উপেক্ষা করে দিনরাত আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার যতটুকু সাধ্য ছিল খাবার ও করোনা সামগ্রী নিয়ে আমি আপনাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি।
সেসময় অনেক হেভি ওয়েট নেতারা রাজধানীতে বসে ঘরের চার দেয়ালে জীবন বাঁচানোর জন্য নীরবতা পালন করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আমি আমার মা, স্ত্রী ও সন্তানদের মায়া ত্যাগ করে জনগণকে ভালবেসে আপনাদের সাথে মাসের পর মাস কাটিয়েছি। তার প্রতিদান আপনারা আমাকেও দিয়েছেন। আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য হিসাবে সব সময় আমাকে ভালমন্দ বলেছেন। আমার নির্দেশনা মত কাজ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সঠিক সিদ্ধান্ত আজ করোনা পরিস্থিতি মহামারি আকার রূপ ধারণ করে নাই।
এসময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে নিক্সন চৌধুরী বলেন, নোয়াখালির জনৈক পাগল বলেছে ফরিদপুর-৪ আসনে নাকি ভোট চুরি করে আমি দুইবার এমপি হয়েছি। আমি ঐ পাগলকে চ্যালেঞ্জ করে বলব গত দুইবারের সংসদ নির্বাচন সারাদেশের ন্যায় এখানে হয় নাই। এখানে জনগণ উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছে। তারা নৌকার বিপক্ষে নয় দুর্নীতিবাজ, পানামা কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত কাজী জাফরউল্লাহর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে আমাকে জয় করেছে। ঐ নেতাকে উদ্দেশ্য করে নিক্সন চৌধুরী বলেন, আপনি কিভাবে জানলেন এখানে ভোট চুরি হয়েছে। কথায় আছে না পুরাণ পাগলে ভাত পায়না নতুন পাগলের আমদানি। আপনার দশা হয়েছে তাই। ভাইরাল হয়ে নেতা হতে চান। এসব পাগলামি ছাড়ুন নয়তো জনগণ এমন ধোলাই দিবে আপনার চেহারা চেনা যাবেনা। এসময় নিক্সন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহবান করে বলেন, দলের জন্য যারা চরম ভাবে ক্ষতিকারক তাদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
জনসভায় কাউন্সিলর বাকি মাতুব্বর নিক্সন চৌধুরীর হাতে নৌকা তুলে দিয়ে তার রাজনীতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজুর রহমান, ভাঙ্গা বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আবু জাফর মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মুন্সি, কেএম কলেজের সাবেক ভিপি লাবলূ মুন্সি, বিভিন্ন ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর গন, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলালীগের হাজারো নেতা-কর্মী।
ইত্তেফাক/এসআই