আমাদের দেশে কাঁটাময় উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত। গ্রিক Kactos থেকে ক্যাকটাস শব্দের উত্পত্তি।
শুষ্ক এবং মরুময় পরিবেশে ক্যাকটাসের প্রাচুর্য দেখা যায়। আমাদের ‘ফনিমনসা’ ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদ। ক্যাকটাসের বহু জাত ও প্রকরণ রয়েছে। আকার ও বর্ণগত বিভিন্নতার কারণে এর গুরুত্ব অনেক। তবে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সাধারণত কাণ্ড চ্যাপটা বা বিভিন্ন আকৃতির, রসালো। আর পাতা রূপান্তরিত হয় কাঁটায়। ক্যাকটাসের সংকুচিত শাখা অ্যারিওলস নামে পরিচিত। এখান থেকে জন্ম নেয় কাঁটা ও ফুল। ত্বক সমসৃণও হতে পারে—হতে পারে অনেক শাখান্বিত। কাণ্ডের রং হতে পারে সবুজ থেকে হালকা নীল এবং বাদামি অথবা ধূসর। ফুলের রংও বিচিত্র বর্ণের—সাদা, হলুদ, লাল এবং মিশ্র। পুষ্প একক অথবা গুচ্ছাকার। বিভিন্ন ধরনের পতঙ্গ, বাদুড় এবং পাখির মাধ্যমে ক্যাকটাস ফুলের পরাগায়ণ ঘটে। ফল ও বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার হয়।
শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে ক্যাকটাসের কদর অনেক। বাগানে অথবা পটে খুব সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। ক্যাকটাসের ফল অনেক দেশে আদিবাসীদের প্রিয় খাবার।
কায়েদ-উয-জামান