বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেল জংশন শহর। কর্মব্যস্ত এ শহরে রেলগেটকেন্দ্রিক অসহনীয় যানজট নিরসনে রেলক্রসিংয়ের ওপর ফ্লাইওভার নির্মাণ জরুরি। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা—এই ১৫ ঘণ্টার মধ্যে ১০ ঘণ্টাই রেলগেট বন্ধ থাকে। এ সময় ৩০টি ট্রেন রেলক্রসিং দিয়ে চলাচল করে। প্রতিটি ট্রেন পার হতে সময় নেয় সর্বনিম্ন ২০ মিনিট। এতে শহরের প্রতিটি সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। একটু পরপর অসহনীয় যানজটে জনজীবন নাকাল হতে থাকে। পুরাতন এ সমস্যা বর্তমানে প্রকট হয়ে উঠেছে। অথচ এই রেলক্রসিংয়ের ওপর ফ্লাইওভার নির্মিত হলে ৯০ ভাগ যানজট কমবে। সান্তাহার শহরের প্রাণকেন্দ্রে দেশের দীর্ঘতম এই রেল লেভেল ক্রসিংটি অবস্থিত। প্রায় ১০০ মিটার লম্বা রেলক্রসিং শহরের মেইন ও নওগাঁ রোডের মাঝে স্থাপিত। এর ওপর দিয়ে দূরপাল্লা, আন্তঃজেলা, উপজেলার অভ্যন্তরীণসহ সব ধরনের গাড়ি চলাচল করে। মূলত এই রেলক্রসিংই সান্তাহার শহরকে বিভক্ত করেছে। শহরের মধ্যে বিকল্প আর কোনো পথ নেই। এ কারণে যানবাহনসহ পথচারীদের রেলক্রসিং দিয়ে চলতে হয়। গেট বন্ধ থাকলে সান্তাহার শহর অচল হয়ে পড়ে। রেলক্রসিংয়ের ভেতর অসংখ্য অবৈধ দোকান গড়ে উঠেছে। এতে ট্রেন চলাচল করে ঝুঁকি নিয়ে। পরিশেষে, সান্তাহার শহরের রেলক্রসিংয়ের ওপর ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।
সাকলাইন লেনিন, আদমদীঘি, বগুড়া