বিশ্বের নিরাপদ এয়ারলাইনসের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। যাত্রীদের নিরাপত্তা দেওয়ার দিক দিয়ে পাঁচতারা রেটিং দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক সংস্থা এয়ারলাইন রেটিংস ডটকম বাংলাদেশের পতাকাবাহী এ এয়ারলাইনসকে। বিশ্বের ৪০৫টি বিমান সংস্থার তথ্য ব্যাপকভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিরাপদ এয়ারলাইনসের তালিকা তৈরি করেছে এয়ারলাইন রেটিংস।
সরকারি, বিশ্ব এভিয়েশন গভর্নিং বডি ও এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট শীর্ষ সংগঠনগুলোর অডিটসহ ১২টি পৃথক মানদণ্ড ব্যবহার করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে প্রতিটি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজের বয়স ও লাভজনকের হারের সঙ্গে দুর্ঘটনায় পড়া ও গুরুতর ঘটনার রেকর্ড দেখা হয়েছে বলে জানায় এয়ারলাইন রেটিংস ডটকম।
অন্যদিকে বাংলাদেশের একমাত্র বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ তালিকায় স্থান পেয়েছে নভোএয়ার। এ প্রতিষ্ঠানটি সাত তারকার মধ্যে তিন তারকা পেয়ে নিরাপদ বিমানের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মিরাজ বলেন, ‘এয়ারলাইন রেটিংস বিমান বাংলাদেশকে ফাইভস্টার এয়ারলাইনসের স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের। এ স্বীকৃতি বিগত কয়েক বছর ধরে বিমানের ধারাবাহিক নিরাপত্তা মান উন্নয়নের উদ্যোগের সুফল।’
আরো পড়ুন: ১০টি হাসপাতালে দুদকের অভিযান, ৪০ শতাংশ ডাক্তারই অনুপস্থিত
এছাড়া ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা বিবেচনায় সবচেয়ে খারাপ মানের পাঁচটি বিমান সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো আরিয়ানা আফগান এয়ারলাইনস (আফগানিস্তান), ব্লু উইং এয়ারলাইনস (সুরিনেম), ক্যাম এয়ার (আফগানিস্তান), তারা এয়ার (নেপাল) এবং ত্রিগানা এয়ার সার্ভিস (ইন্দোনেশিয়া)।
সংস্থাটি জানায়, বিমান দুর্ঘটনায় ৫৫৫ জনের মৃত্যু গত পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৪ সালে ৬৯২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। গত বছর সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল বোয়িং ৭৩৭ এমএএক্স দুর্ঘটনা। এতে ১৮৯ জনের প্রাণহানি হয়, যা ছিল ২০১৮ সালের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর এক-তৃতীয়াংশ। গত অক্টোবরে জাকার্তায় বিধ্বস্ত হয়েছিল লায়ন এয়ার ফ্লাইট ৬১০। এতে বিমানে থাকা কোনো মানুষই বাঁচতে পারেনি।
ইত্তেফাক/বিএএফ