হাসপাতালের বহিঃবিভাগ—মূল ফটকের পাশে,
দাঁড়িয়ে মফিজ সাগরকলা গিলছিল গোগ্রাসে।
ঠিক তখনই থামল এসে রোগীর দুটো গাড়ি,
গাড়ি থেকে রোগীর স্বজন নামল তাড়াতাড়ি।
রোগী দেখেই দৌড়ে এলো নার্স-ডাক্তার-বয়,
তাঁদের হাতে রোগী মানেই নেই আর কোনো ভয়।
স্বজন শুধুই ডাকবে তাঁকে, সব মালিকের হাতে,
নিচে ওরাই করবে যা যা—আস্থা আছে তাতে।
ল্যাবরেটরি, ওটি-ড্রেসিং যখন যেটা লাগে—
সকল কিছুর ঊর্ধ্বে সেসব, করবে তারা আগে।
ডাক্তার-নার্স ফেরেশতা নয়! হাতে জাদুর ছোঁয়া,
রোগ আর রোগী তাদের কাছে ছেলের হাতে মোয়া।
সবাই ভীষণ চটপটে আর দক্ষ স্ব-স্ব কাজে,
সেবাই যাঁদের ধর্ম তাঁদের—এই না হলে সাজে?
বেড খালি নেই, ব্লাড লাগবে? নো প্রবলেম মানি,
এনাফ তারাই, নো টেনশান, কিসের পেরেশানি!
হাসপাতালের ভিতর-বাহির এমন পরিপাটি,
ইচ্ছে তোমার হতেই পারে—জিভ লাগিয়ে চাটি!
ঝা ঝকঝক! আয়া-ক্লিনার তাঁদের মুখেও হাসি,
ডাকলে তাঁরাও সব করে দেন একনিমেষে আসি!
সব বকোয়াজ! ভাবছ নাকি সত্যি এমন হয়?
গিলছে কলা, ভাবছে মফিজ, কেন এমন নয়??