স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘করোনা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেটা আছে, সেটি তেমন গুরুতর নয়। তার পরও টিকা গ্রহীতাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মেনে নিয়ে ভ্যাকসিন নিতে হবে। আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে সব ধরনের চিকিত্সা সহায়তা দেওয়া হবে।
গতকাল সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওষুধের কিংবা ভ্যাকসিনের সাইড ইফেক্ট থাকতে পারে। আমরা একটি ওষুধ গ্রহণ করলেও সেটার গায়ে লেখা থাকে, কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। আবার নাও হতে পারে। বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে। এস্ট্রাজেনিকার ভ্যাকসিনেও হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এ যাবত্ আমরা বাংলাদেশে যেসব ভ্যাকসিন দিয়েছি সেখানেও কিন্তু সাইড ইফেক্ট ছিল। কাজেই আমি মনে করি, এটাতে বড় কোনো সমস্যা হবে না।’
জাহিদ মালিক এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমরা চার ডলার করে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা কিনছি। আর পরিবহনসহ সংরক্ষণে যে এক ডলার খরচ, সেটাও দেওয়া হচ্ছে। আমাদের চুক্তি আছে যে, ভারত সরকার কম দামে কিনলে আমাদের কম দামে দেবে। বেশি দাম হলে আমরা সেই দামে নেব না, আমরা কম দামেই নেব। আমাদের কাছে যদি ২৫-২৬ জানুয়ারি ভ্যাকসিন চলে আসে, তার পরও আমাদের প্রিপারেশনের জন্য টাইম দরকার। আশা করি, সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করতে পারব। আর রাজধানীর সরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৩০০টি টিকাদান কেন্দ্র করা হবে। এখান থেকে টিকা দেওয়া হবে।’
ভ্যাকসিনের মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা বেসরকারি পর্যায়ে ভ্যাকসিন আনার অনুমতি দেব। একটি ভ্যাকসিনের দাম যেটা হবে, সেটি নির্ধারণ করার জন্য সরকারি প্রক্রিয়া আছে। সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী আমরা দামও নির্ধারণ করে দেব। দেশ ভিন্নতায় ভ্যাকসিনের দাম ভিন্ন ভিন্ন হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে উপহার হিসেবেও কিছু টিকা আসবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘প্রত্যেক সাংবাদিক করোনার টিকা পাবেন।’