কাউখালী হলো পিরোজপুর জেলার একটি পুরাতন থানা ও উপজেলা, ১৯১৭ সালে এখানে থানা প্রতিষ্ঠা হয়। এখানকার বইয়ের দোকানগুলোতে পাঠ্যবইয়ের বাইরের বইয়ের দেখা মেলে না। ছাত্ররা মোবাইলফোনে গেমস খেলে ও আড্ডাবাজি করেই সময় কাটাচ্ছে। কয়েকদিন আগে আমার বন্ধু গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র রাকিব ইসলাম বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কিনতে কাউখালীর বইয়ের দোকানে যায়। সবগুলো দোকান খুঁজেও বইটি পাওয়া যায়নি। কাউখালীতে সরকারি গ্রন্থাগার থাকলেও বর্তমানে তার কার্যক্রম স্থবির। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিও কাউখালীতে আসে না। যার ফলে বইয়ের পাঠক তৈরি হচ্ছে না, এমনকি যারা টুকটাক বই পড়ে তারাও পড়ার জন্য বই সংগ্রহ করতে পারছে না। এতে করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া না করে অন্য কাজে সময় নষ্ট করছে। তাই চাইব—সরকার কর্তৃক এখানে একটা গ্রন্থাগার চালু করা হোক। এছাড়া বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কাউখালীর স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় এলে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার সুযোগ পাবে।
মুহাম্মদ আবু তালহা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়