বনভোজনের আনন্দে মাতোয়ারা হয়েছে ভাসানচরের রোহিঙ্গারা। গতকাল বৃহস্পতিবার পিকনিকের আমেজে নেচে গেয়ে অন্য রকম আনন্দের একটা দিন কাটিয়েছে তারা। খাবারের আয়োজনে ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান। রান্নার দায়িত্বে ছিলেন চট্টগ্রামের নামকরা বাবুর্চি আবদুল মোমিন। তার রান্না করা আতপ চালের ভাত, মহিষের মাংসের ভুনা ও বুটের ডাল খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছেন চরের প্রায় সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা। শেষ পাতে ছিল হাতিয়া থেকে আনা মহিষের দুধের দই। গতকাল নানা রকম খেলার পাশাপাশি ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
সকাল হতে না হতেই বনভোজনের ভেন্যু ভাসানচরের ফুটবল মাঠের দিকে আসতে শুরু করে রোহিঙ্গারা। বড় বড় সাউন্ড বক্স বাজিয়ে নাচেগানে মেতে উঠে রোহিঙ্গা শিশু-কিশোররা। তরুণ যুবারাও বাদ ছিল না এই আনন্দে। মাঠের একাংশে বিশাল প্যান্ডেল সাজিয়ে রান্নাবান্না করা হয়। রান্নার জন্য চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসা হয় সমস্ত উপকরণসহ ১৫ সদস্যের বাবুর্চির দল। দুপুরের মধ্যেই শেষ হয় খেলার আয়োজন। বিস্কুট-মার্বেল এবং চকলেট দৌঁড়ে অংশ নিয়েছে রোহিঙ্গা শিশুরা। ছিল মোরগলড়াই ও সুঁই সুতার খেলা। শিশুদের পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন বড়রাও।