ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেস ওয়ের দৈর্ঘ্য ৩৫ কিলোমিটার, যার পুরোটাই দৃষ্টিনন্দন। প্রতিটি ক্রসিংয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফ্লাইওভার। সড়কপথের মাঝে ধলেশ্বরী নদীতে নির্মিত হয়েছে নয়নাভিরাম জোড়া সেতু। ঢাকা-মাওয়া চমত্কার এই এক্সপ্রেস ওয়ে গাড়ি চালিয়ে অতি সহজেই পাড়ি দেওয়া যায় ২০ থেকে ৩০ মিনিটে। কিন্তু ধীরগতির টোল আদায় ব্যবস্থা এই সময়কে করেছে অনেক দীর্ঘায়িত, যা প্রায় তিনগুণ। গত শুক্রবার (২২-১-২০২১) মাওয়া থেকে ঢাকায় যাঁরা ফিরেছেন, তাঁরা ৩০ মিনিটের পথ পাড়ি দিয়েছেন ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে। যাত্রাপথে ধলেশ্বরী সেতু, পোস্তগোলা সেতু এবং হানিফ ফ্লাইওভারের তিনটি টোল প্লাজায় যানবাহন আটকে ছিল ২০ মিনিট করে সর্বমোট ৬০ মিনিট! ধীরগতির টোল আদায় পদ্ধতি ঢাকা-মাওয়া ডিজিটাল এক্সপ্রেস ওয়েতে দিয়েছে অ্যানালগ গতি। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
মোহাম্মদ মাসুদ খান
ঢাকা