শেষ মুহূর্তে চলছে জোর প্রচারণা

শিবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

আর মাত্র চার দিন পর ৩০ জানুয়ারি তৃতীয় ধাপে বগুড়া শিবগঞ্জ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের শেষ দিকে জোরেশোরে চলছে প্রচার-প্রচারণা। মেয়র, সাধারণ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে প্রচার-প্রচারণা ও সভা সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন। পৌরসভার মিরের চক মহল্লার দুদু মিয়া নামের এক ভোটার বলেন, প্রচার-প্রচারণায় এবার জমে উঠেছে। ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী মতিয়ার রহমান মতিন বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষেরই বিজয় হবে।’ নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী তৌহিদুর রহমান মানিক বলেন, ‘দ্বিতীয়বারের মতো পৌরবাসী আমাকে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করবেন।’ শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের জন্য সার্বিক কার্যক্রম চলমান আছে।’

প্রচারণা চলছে উত্সবমুখর পরিবেশে

পাবনা প্রতিনিধি জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি পাবনা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্সবমুখর পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে মেয়রপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচ জন। আর সাধারণ কাউন্সিল ৭৪ এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ১৭ মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলী মুর্তজা বিশ্বাস সনি বলেন, ‘দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সচেতন ভোটার পাবনা পৌরসভার উন্নয়নে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে অবশ্যই নৌকা প্রতীকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।’ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলনের অংশ হিসেবেই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা হয়েছে।’ নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ উদ্দিন প্রধান বলেন, ‘জনগণের জোড়ালো দাবিতেই আমি প্রার্থী হয়েছি।’

জয়-পরাজয় নির্ভর করছে নারী ভোটারের ওপর

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কটিয়াদী পৌরসভায় পুরুষের চেয়ে নারী ভোটার বেশি। জয় পরাজয় নির্ধারিত হবে নারী ভোটারের ওপর। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি, ন্যাশনাল পিপিলস পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট পাঁচ জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগ বিএনপির বাইরে মেয়র পদে একজন নারী প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান পৌর মেয়র শওকত উসমান শুক্কুর আলী, বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রী সালমা আনিকা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাড. আলাউদ্দিন আলম ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আব্দুল বাতেন। ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠেছে

চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠেছে। ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চার জন মেয়র প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর ৯টি ওয়ার্ডে ৩৬ জন, সংরক্ষিত মহিলা তিনটি ওয়ার্ডে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকতার হোসেন ফয়সল, বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ জাকের হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ খালেদ সাইফুল্যা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিমলেন্দু কিশোর পাল জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।