আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রলীগের নেতা হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান সভাপতিসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ছাত্রলীগের নিহত নেতার নাম সুমন চন্দ্র দাশ। গতকাল মঙ্গলবার সিআইডি সিলেট জোনের সহকারী পুলিশ সুপার শামীম-উর-রশীদ পীর চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন—শাবি ছাত্রলীগের তত্কালীন সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ (বহিষ্কৃত), বর্তমান সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রুহুল আমিন, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সাঈদ আকন্দ (বহিষ্কৃত), সহসভাপতি নুরে আলম, সহসভাপতি সৈয়দ জুয়েম, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি এস কে হাসিবুর রহমান, সহসম্পাদক সুকান্ত ঘোষ, সহসম্পাদক মোশাররফ হোসেন রাজু (বহিষ্কৃত), সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজ (বহিষ্কৃত), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল আসাদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম (বহিষ্কৃত), সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন নাঈম, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ তালুকদার, আইন সম্পাদক জহির হোসাইন, ক্রীড়া সম্পাদক জাকির খান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুজ্জামান রূপক। এছাড়া ছাত্রলীগের কর্মী সজল চন্দ্র ভৌমিক, আব্দুল কুদ্দুস নোমান, জুনায়েদ আহমদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, জেসমুল হাসান, নয়ন চৌধুরী, বহিরাগত সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাস অনিক, ছাত্রলীগের নেতা আনোয়ারুল হক আলম, রানা আহমদ শিপলু ও এমদাদুল হক (খোকন)। তবে আদালত চার্জশিটটি এখনো আমলে না নিয়ে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যালোচনার দিন ধার্য করেছে বলে আদালত সূত্রে জানা যায়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর হল দখলকে কেন্দ্র করে পার্থ-সাঈদ-সবুজ গ্রুপের সঙ্গে অঞ্জন-উত্তম গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সুমন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।