অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে জিজ্ঞাসা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবসর গ্রহণের ১৫ বছর অন্তে পেনশনে পুনঃস্থাপনের সুযোগ পাবেন। এই আদেশ ভূতাপেক্ষ ১ জুলাই ২০১৭ থেকে কার্যকর হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। একজন কর্মকর্তা ৯ জানুয়ারি ২০১৯-এ পেনশনে পুনঃস্থাপনের আবেদন করে পরদিনই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে জুলাই ১৭ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এবং মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রীকে পেনশন দেওয়া হচ্ছে না। অথচ ১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে তার অবসরের ১৫ বছর পূর্ণ হয় এবং প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১ জুলাই ২০১৭ থেকে তাঁর পেনশন প্রাপ্য। মন্ত্রণালয়ের ২৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখের স্মারক অনুযায়ী মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীর পেনশন প্রাপ্য।

দ্বিতীয় ঘটনায় অন্য এক কর্মকর্তা ৩০ জানুয়ারি ২০০৩ তারিখে পূর্ণ অবসর গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে পেনশনে পুনঃস্থাপনের যোগ্যতা অর্জন করে ৪ জুন ২০১৮-তে মারা যান। তাঁর স্ত্রীকে মৃত স্বামীর এবং তাঁর নিজের পেনশন কোনোটাই দেওয়া হচ্ছে না। প্রজ্ঞাপনে আরেকটি বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়নি। সেটি হচ্ছে পেনশনে পুনঃস্থাপনের আগে যাঁরা মৃত্যুবরন করেছেন বা ভবিষ্যতে করবেন তাঁদের অবসর গ্রহণের ১৫ বছর পর তাঁদের  বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পেনশন পাবেন কি না। যে বিবেচনায় শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের অবসর গ্রহণের ১৫ বছর পর পেনশনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে—সেই একই কারণে তাদেরও পেনশন প্রাপ্য।

প্রজ্ঞাপনের (খ) অনুচ্ছেদে পেনশন নির্ধারণের যে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে তা ৮ম  জাতীয় বেতন কাঠামো অনুযায়ী ১ জুলাই ২০১৫ থেকেই প্রাপ্য ছিল এবং অনুচ্ছেদ  (ঘ) অনুযায়ী ১ জুলাই ২০১৭-তে তার ওপর ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট প্রযোজ্য। কিন্তু  তা দেওয়া হয়নি। এসব বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জবাব কী?

ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ

অবসরপ্রাপ্ত সহকারী মহাব্যবস্থাপক, অগ্রণী ব্যাংক;

৫৭০/-১ বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা ১২১৬