দুর্নীতি রোধে চরিত্রনিষ্ঠা জরুরি

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা সব স্তরে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থাকার কথা তুলে ধরে বলেছেন, দুর্নীতির বিষবৃক্ষ সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে দেশের প্রকৃত আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি স্থায়ী সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। গতকাল বুধবার সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যক্তিপর্যায়ে কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা খুব দরকার। এজন্য বিদ্যমান আইনকানুন, নিয়মনীতির সঙ্গে দুর্নীতি দমনকে একটি আন্দোলন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করতে হবে।

সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাদের করোনা ভাইরাসের টিকা দিতে চায়, সেই তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৭ হাজার ৯৭৩ জনকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে পরিকল্পনা সাজিয়েছে তার সরকার। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলামের (টিটু) প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে মোট তিন কোটি ডোজ টিকার সরবরাহ পাওয়া যাবে। এর বাইরে প্রয়োজন অনুযায়ী আরো টিকা কেনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় বিশ্বের ৯২টি দেশের মতো বাংলাদেশও মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য টিকা পাবে। তাতে ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষের জন্য ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও দেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই টিকাদানের অগ্রাধিকার তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশের জনসংখ্যার ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ (মোট ১ কোটি ৫০ লাখ) মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।