সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা:২২০ ও ২৪৫ (বাভুমা ৪০, লিন্ডে ১১, রাবাদা ১, নরকিয়া ০, এনগিডি ৩*; নমান ৩৫-৫, ইয়াসির ৭৯-৪)
পাকিস্তান:৩৭৮ ও (লক্ষ্য ৮৮) ৯০/৩ (বাট ১২, আবিদ ১০, আজহার ৩১*, বাবর ৩০, ফাওয়াদ ৪*; নরকিয়া ২৪-২, মহারাজ ১২-১)
ফল:পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যাচ সেরা:ফাওয়াদ আলম।
স্পোর্টস ডেস্ক
হতাশার বৃত্তে থাকা ক্রিকেটারদের কাছে অনুপ্রেরণার নতুন নাম ফাওয়াদ আলম। ১১ বছর পর দলে ফিরে কী দুর্দান্ত-ই না খেলছেন ৩৫ (বয়স) পেরোনো এই ব্যাটসম্যান। নমান আলীও বা কম যান কিসে। ১৪ বছর ধরে দরজায় কড়া নাড়ার পর দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ মিলল ৩৪ বছর বয়সে এসে। আর অভিষেকেই বাহাতি স্পিনের ঝাঁজ দেখালেন তিনি। গড়েছেন রেকর্ডও। এই দুই বুড়োর ঘাড়ে চড়ে করাচি টেস্টে পাকিস্তানের জয়টা মিলল সহজেই। একদিন হাতে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অধিনায়ক হিসেবে শুভসূচনা করলেন বাবর আজম। ৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কোনো নাটকীয়তা ছাড়াই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তার দল।
প্রথম ইনিংসে ১০৯ রান করা সেই ফাওয়াদের ব্যাটেই আসে উইনিং নকটি। তাতে সাত বছর প্রতীক্ষার পর প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২৭ টেস্টে নিজেদের পঞ্চম জয়টি পেল পাকিস্তান।
তৃতীয় দিন বিকেলেই ব্যাটসম্যানদের জন্য রাস্তাটা সহজ করে দিয়েছিলেন ইয়াসির শাহ ও নমান। ১৮৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে চতুর্থ দিনের শুরুতে কেশভ মহারাজ ও কুইন্টন ডি কককে হারায় প্রোটিয়ারা। এরপর একাই লোয়ার অর্ডারদের নাস্তানাবুদ করেন নমান। অভিষেকেই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে রেকর্ড গড়েন এই স্পিনার। পাকিস্তান তো বটেই গত ৭২ বছরে টেস্ট অভিষেকে তার চেয়ে বেশি বয়সে (৩৪ বছর ১১১ দিন) পাঁচ উইকেট পাননি আর কেউ।
২৪৫ রানে অলআউট হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার হারটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল তখনই! অথচ প্রথম ইনিংসে ২২০ রানে অলআউট হয়েও পাকিস্তানকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল তারা। মাত্র ২৭ রানেই তুলে নেয় ৪ উইকেট। তবে চাপের মুখে অসাধারণ এক সেঞ্চুরি করে ম্যাচের রূপ বদলে দেন ফাওয়াদ। তাই ম্যাচ সেরার পুরস্কারটাও উঠে তার হাতে।