সাহিত্যিকদের আনন্দ আড্ডা

সাহিত্য সাময়িকী শব্দঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সাহিত্য সাময়িকী শব্দঘর পেরিয়ে এলো সাত বছর। গতকাল আট বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে লেখক আড্ডার আয়োজন করা হয়। শাহবাগের পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে এ আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সাহিত্যিক ও মনোবিদ মোহিত কামাল সম্পাদিত পত্রিকাটির বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। কথাশিল্পী হাসনাত আবদুল হাইকে উত্সর্গ করে প্রকাশিত হয়েছে বিশেষ সংখ্যা। তার সাহিত্যচর্চা নিয়ে বিভিন্ন লেখকের বিশ্লেষণধর্মী লেখার সম্মিলনে সাজানো হয়েছে সংখ্যাটি। আড্ডার শুরুতেই বিশেষ সংখ্যাটির মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। আড্ডায় অংশ নেন কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন ও হাসনাত আবদুল হাই, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হোসেন আবদুল মান্নান, আজিজুল ইসলাম, মোহিত কামাল প্রমুখ। আলোচনার ফাঁকে শব্দঘরের জন্মদিনের কেক কাটেন অতিথিরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. মিল্টন বিশ্বাস।

সেলিনা হোসেন বলেন, দেশে একটি ভিন্ন ধারার সাহিত্য পরিমণ্ডল তৈরি করেছে শব্দঘর। এই পত্রিকায় নবীনের সঙ্গে প্রবীণ লেখকের সমন্বয় ঘটেছে। সব মিলিয়ে সাহিত্য ভুবনে একটি গৌরবের অধ্যায় সৃষ্টি করেছে শব্দঘর। হাসনাত আবদুল হাই বলেন, শব্দঘর শুধুমাত্র সাহিত্য পত্রিকা নয়; এটি একটি প্রতিষ্ঠান। সাহিত্য পত্রিকার কাজ হচ্ছে প্রবীণ লেখকদের বাঁচিয়ে রাখা এবং নবীন লেখকদের জন্ম দেওয়া। আর এই দুটি কাজই যথার্থভাবেই করে যাচ্ছে শব্দঘর।

রামেন্দু মজমুদার বলেন, তিনি থিয়েটার নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। কিন্তু সাহিত্য পত্রিকা শব্দঘর সব সময় তাকে বিস্মিত করে। হাসনাত আবদুল হাইকে নিয়ে প্রকাশিত এবারের সংখ্যাটি অসাধারণ।

মোহিত কামাল বলেন, ‘শৈশব থেকেই পত্রিকা সম্পাদনার স্বপ্ন দেখতাম। রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই সম্পাদিত ‘কচি ও কাঁচা’ কিংবা নজরুল সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ দেখে সম্পাদনার সেই স্বপ্নটা জেগে উঠেছিল। ইচ্ছে ছিল এমন একটি পত্রিকা প্রকাশ করব যেটি পাঠককে আকৃষ্ট করার পাশাপাশি এক সময় গবেষণারও বিষয়বস্তু হবে। এরপর শব্দঘর প্রকাশনার মাধ্যমে পূরণ হলো সেই স্বপ্ন।’