বিমানবন্দরে সোনা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই কেজি সোনা ও ২ হাজার ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএন ১৩-এর সদস্যরা। তারা হলেন—মো. কামা১

ল পারভেজ, মো. ফরিদুল আলম ও গোলাম মোস্তফা মণ্ডল। পরে তাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে।

এপিবিএন ১৩-এর অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন শিমুল জানান, শুক্রবার রাতে বিমানবন্দরের আগমনী ২ নম্বর টার্মিনালের আউট গেটের পাশের কার পার্কিং এলাকা থেকে কামাল ও ফরিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তল্লাশি করে কামালের ব্যাগে আটটি সোনার বার পাওয়া যায়। যার ওজন ৯২৮ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজার মূল্য ৫৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া কামালের কাছে তিনটি ব্রেসলেট, ৯টি চেইন, একটি লকেট, দুটি কানের দুল, তিনটি আংটি, দুটি গলার হার, একটি ঝাপটা পাওয়া যায়। যার ওজন ২৬৮ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজার মূল্য ১৪ লাখ টাকা।

এদিকে, ফরিদুলকে তল্লাশি করে ৪৬৪ গ্রাম ওজনের চারটি সোনার বার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ২০০ গ্রাম ওজনের ২১টি আংটি, ১৯টি লকেট, ১৪টি চেইন ও দুটি চুড়ি পাওয়া যায়। দুই কার্টন ডানহিল সিগারেট, একটি ব্যবহূত স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৪ ফোন সেট, একটি ব্যবহূত স্যামসাং গ্যালাক্সি জে ১ ফোন সেট, পাওয়ার ব্যাংক, ৭ হাজার ৩০০ টাকাও পাওয়া যায়। ফরিদুলের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত মালামালের মূল্য ৩৮ লাখ ২৪ হাজার ৮০০ টাকা।

গ্রেফতারকৃত কামালের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ও ফরিদুলের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানে জড়িত। জব্দকৃত সোনার বার, অলংকার, মোবাইল কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষের গুদামে সংরক্ষণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এপিবিএন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন শিমুল আরো জানান, গতকাল দুপুরে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের পাবলিক টয়লেট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে মোস্তফাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ২ হাজার ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে বিমানযোগে ঢাকায় আসেন। মোস্তফার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায়।