যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড সিয়ার্সের কাছে রফতানি আদেশের চার কোটি ডলার (প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা) ফেরত পাওয়া নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা অবসান হতে যাচ্ছে।
মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সংক্রান্ত মামলায় জিতেছে বাংলাদেশের রফতানিকারক ২১ প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ তারা এখন এই অর্থ ফেরত পাচ্ছে।
২০১৯ সালের বিভিন্ন সময়ে সিয়ার্স বাংলাদেশের ২১টি পোশাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছে ক্রয়াদেশ দেয়। এসব পণ্য তৈরি হওয়ার পর তা পাঠানো হয়, কিংবা কিছু পণ্য পাঠানোর অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু সিয়ার্স পণ্য নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়ার আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করে। বিপাকে পড়া রফতানিকারকরা নানা দেনদরবার শেষে পরবর্তীতে আইনি পথে হাঁটেন।
অবশ্য তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক ইত্তেফাককে বলেন, মামলায় বাংলাদেশের রফতানিকারকদের ৪ কোটি ডলার জেতার খবর সঠিক নয়। তবে এক্ষেত্রে আংশিক অগ্রগতি হয়েছে।
অবশ্য অপর একজন পোশাক উদ্যোক্তা ইত্তেফাককে জানান, সিয়ার্সের সঙ্গে আরবিট্রেশনের (সালিশই পন্থা) মাধ্যমে পাওনা আদায়ের চেষ্টা চলছে। তারা ধাপে ধাপে অর্থ পরিশোধে সম্মত হয়েছে বলে জানান তিনি। কিন্তু মামলায় জেতার খবরটি সঠিক নয় বলে মনে করেন তিনিও।
অবশ্য ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিয়ার্সের কাছ থেকে অর্থ ফেরতের লক্ষ্যে গত জুনে মামলা করে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো। সম্প্রতি ওই মামলার রায়ে জিতেছেন তারা। মামলার আইনজীবী জোসেফ ই সারাচেকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, এটি বিরল বিজয়ের ঘটনা।
ইত্তেফাক/ইউবি