অর্থ লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত শুরু

বরিশাল সদর উপজেলাধীন দুটি দাখিল মাদ্রাসায় অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিল করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে পৃথক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের চরহোগলার ইশায়াতুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসা ও চন্দ্রমোহন দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিপুল অংকের অর্থের এই লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। চন্দ্রমোহন দাখিল মাদ্রাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, সোমবার সকালে ঐ মাদ্রাসায় তদন্তকালে সুপার আসেননি। ফলে কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট আলমারি তালাবদ্ধ থাকা অবস্থায় আরো একটি তালা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিযোগকারীদের কথাও শোনেন তিনি। অপর মাদ্রাসা ইশয়াতুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসার তদন্তভার পেয়েছেন উপজেলা পল্লী কর্মকর্তা মো. বাবুল গাজী। তিনি জানান, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। 

ডিজির প্রতিনিধি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহফুজা খানম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে বলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানালে ইশায়াতুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসার নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইশায়াতুল ইসলাম মডেল দাখিল মাদ্রাসায় দুই জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা ইতিমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে। বিপুল অংকের টাকার বিনিময়ে এক জন নিরাপত্তা প্রহরী এবং এক জন আয়া নিয়োগ হচ্ছে মর্মে অভিযোগের আসে। এছাড়াও চন্দ্রমোহন দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রার্থী অভিযোগ করেন ১২ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আরেক জনকে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।