ক্যারিয়ার গড়তে বিবিএ প্রফেশনাল

বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী বিবিএ (প্রফেশনাল) পড়তে আগ্রহী হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো আছে এর একটি হলো প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চাকরির বাজারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি প্রাপ্তির সুবিধা। এ ক্ষেত্রে সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের জগতে নানা পরিবর্তন আনতে পারবে। চাকরির বাজারে বিবিএ শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাংক, বীমাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ, নিরিক্ষা বিভাগ, ট্যাক্স, প্রশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিভাগে কাজের সুযোগ রয়েছে। এমনকি মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আবার যারা নিজ উদ্যোগে ব্যবসা করতে পছন্দ করেন, বিভিন্ন উদ্যোক্তা হয়ে তারা কাজ করে ব্যবসা বাণিজ্য ও শিল্পজগতে অভুতপূর্ব সাফল্য লাভ করতে পারেন। বিবিএ শিক্ষার্থীরা ব্যবসার বিভিন্ন শাখায় জ্ঞান লাভ করতে পারে। যেখানে অন্য কোর্সগুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দেখা যায় তারা একটি কিংবা দু’টি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে। বিবিএ কোর্সে  প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ১২৬ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হয়।

এতগুলো বিষয়ে জ্ঞান থাকার ফলে পরবর্তী সময়ে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বেশ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে সক্ষম হন। বিবিএ পড়ুয়াদের বিষয় ভিত্তিক জ্ঞান থাকতে হবে স্বচ্ছ ও নির্ভুল। আধুনিক যুগের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চালু করে বিবিএ (অনার্স) প্রফেশনাল কোর্স। বাংলাদেশে দু’ধরণের বিবিএ কোর্স রয়েছে। একটি একাডেমিক ও অন্যটি প্রফেশনাল। সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক বিবিএ (অনার্স) পড়ানো হয়। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল বিবিএ পড়ানো হয়, যেখানে অনার্স কোর্স শেষে তিন মাসব্যাপী শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ণশিপ করার সুযোগ পেয়ে থাকে। ফলে চাকরিতে প্রবেশের আগেই অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তারা। এই কোর্সে কোন সেশসনজট নেই এবং নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে বেশি সময় ব্যয় করতে হয় না। ব্যাংকিং ধারা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ এ জাতীয় সেক্টর বা অন্যান্য চাকরির ক্ষেত্রে রয়েছে এর ব্যাপক চাহিদা। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে ০১৮১১৪৫৮৮৬২ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।  কোর্সটি পুরোপুরি ইংরেজি মাধ্যমে হওয়াতে চাকরি ক্ষেত্রে তাদের বেশী মূল্যায়ন করা হয়। এর ফলে বিবিএ কোর্স সম্পন্ন শিক্ষার্থীগণ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে দেশে বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য-শিল্প ও ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে থাকে। বিবিএ শিক্ষার্থীগণ কোর্স সম্পন্ন করার পর পরই প্রবাসে তথা উন্নত বিশ্বে এ সংশ্লিস্ট কোর্সে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করার সুযোগ বেশী থাকে/পাবে। ভর্তির যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান পাশ।