সাবরিনার কথায় ফাহমিদার হেরে যাওয়ার গল্প

মা হ মু দু ল  আ মি ন

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাবরিনা সুলতানা চৌধুরীর লেখা গানে এর আগে বাপ্পা মজুমদার, পিন্টু ঘোষ সহ আরো বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পী গান গেয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সাবরিনার লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। গানের শিরোনাম ‘হেরে যাওয়ার গল্প’। গানটি সুর ও সংগীত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সুদীপ্ত শাহীন। গত ৩০ জানুয়ারি রাতে গানটির রেকর্ডিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। রেকর্ডিং শেষে সাবরিনা সুলতানা চৌধুরীর লেখা এবং সুদীপ্ত শাহীনের সুর করা গানটি প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘নতুন একটি গানের কথা ও সুর বুঝে তার অনেক গভীরে প্রবেশ করতে আমার সময় লাগে। গানের কথা এবং সুর আমার মনকে ছুঁয়ে যেতে হয়। এই গানটি যেদিন প্রথম শুনি, সেদিনই গানটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগে যায়। গানটি মূলত প্রেম বিরহের সমন্বয়ে লেখা একটি গান। একটি গানে কণ্ঠ দেওয়ার ব্যাপারে আমি সবসময়ই ভীষণ খুঁতখুঁতে। ‘হেরে যাওয়ার গল্প’ গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার সময়ও আমি ভীষণ খুঁতখুঁতেই ছিলাম। কোন জায়গাটা কেমন হলো, ভাবের প্রকাশটা ঠিক হলো কি না, না হলে আবার ভয়েজ দেওয়া। অবশ্য সাবরিনা এবং সুদীপ্তও ভীষণ খুঁতখুঁতে। যে কারণে সবশেষে একটি ভালো গান হলো—এটা আমার বিশ্বাস। গানটির রেকর্ডিংয়ের পূর্ব পর্যন্ত এটা আমাদের গান ছিল। আর এখন এটা সবার গান। আমি খুব আশাবাদী গানটি নিয়ে।’ সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী জানান, গানটি ‘অচিনপুর’ ইউটিউব চ্যানেলে শিগগিরই প্রকাশ পাবে। এদিকে ফাহমিদা নবী জানান, আজ তিনি সেজান মাহমুদের লেখা ও সুর করা একটি গানের মিউজিক ভিডিওর কাজে সারাদিন ব্যস্ত থাকবেন। এরইমধ্যে ফাহমিদা নবী বাপ্পা মজুমদারের সুর ও সংগীতে কবির বুকলের লেখায় ‘চাইছি হতে’ নামের আরো একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের জন্যও নিবেদিত একজন মানুষ ফাহমিদা নবী। ২ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশে কিডনী জটিলতায় আক্রান্ত মানুষদের সহায়তা করার জন্য ‘সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত চ্যারিটি কনসার্টে অংশ নেন। এছাড়াও অপ্রকাশিত অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন ফাহমিদা নবী, যার প্রকাশ তিনি কখনোই চান না। এদিকে এরইমধ্যে জামাল হোসেনের লেখা ‘মন’ গানটিও গেয়েছেন তিনি। শিগগিরই গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হবে বলে জানান তিনি।