উচ্চ পর্যায়ে নানা ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও আয়শা খানম নারী মুক্তির লক্ষ্যে ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জীবন উত্সর্গ করে গেছেন। গতকাল আয়শা খানম স্মরণে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত সভায় এমন মন্তব্য করেন বক্তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কর্মকর্তা রুনু দাশ। প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম এবং সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম। সভার শুরুতে আয়শা খানমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় তার প্রতিকৃতির সামনে মোমবাতি প্রজ্বালন করে শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।
বক্তারা বলেন, মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর সংগঠনকে এগিয়ে নিতে তিনি অত্যন্ত দূরদর্শিতা ও দক্ষতার সঙ্গে সংগঠনকে পরিচালনা করেছেন, কর্মী বাহিনী, সংগঠক তৈরি করেছেন। তিনি ছিলেন সমতায় বিশ্বাসী। নারী আন্দোলনকে কেবল জাতীয় পর্যায়ে নয়, বৈশ্বিক পর্যায়েও এগিয়ে নিতে অত্যন্ত সফলভাবে কাজ করে গেছেন। তারা বলেন, আয়শা খানম কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। নারী আন্দোলন ও নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি প্রজন্ম আয়শা খানমকে সব সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। ডা. ফওজিয়া মোসলেম প্রয়াত আয়শা খানমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আয়শা খানম তার কাজ, আদর্শ, চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে দ্যুতি ছড়িয়েছেন সবার মধ্যে। তিনি সবাইকে আয়শা খানমের রেখে যাওয়া সাহস, আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।