প্রেমিকের আহ্বানে সাড়া দিতে গিয়ে নড়াইলের কালিয়ায় এক স্কুলছাত্রী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উথলী গ্রামে এই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহতাবস্থায় ঐ ছাত্রীকে প্রথমে কালিয়া ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে কালিয়া থানায় আট জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ প্রতারক প্রেমিকসহ তিন জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কালিয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ঐ ছাত্রীর সঙ্গে এই গ্রামের ইউছুফ শেখের ছেলে বখাটে মিশান শেখের কিছুদিন আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রেমিক মিশান তাকে ফোন করে বাড়ির পাশের মাঠে ডেকে নিয়ে কয়েক জন মিলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পলিয়ে যায়। মারাত্মক আহতাবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিয়া ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়া ঘটনাটি কালিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রতারক প্রেমিক মিশান শেখ, একই গ্রামের রবিউল শিকদারের ছেলে বাপ্পি শিকদার ও মিজান শেখের ছেলে মো. নাইম শেখকে আটক করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেছেন, এ মামলায় তিন আসামিকে আটক ও পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।