আরএমপির তালাইমারী ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাসুদ সাময়িক বরখাস্ত

বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নগরীর চন্দ্রিমা থানার অধীনস্থ তালাইমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক তালাইমারি ফাঁড়ি পরিদর্শনের সময় এসআই মাসুদ রানাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শুক্রবার আরএমপির মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও কর্মে অদক্ষতার কারণে এসআই মাসুদ রানাকে গত বুধবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি সিরাজুম মুনির জানান, ফাঁড়িতে পুলিশ কমিশনার আসার পর ২৫ গ্রাম হোরোইনসহ আসামি সোহেলের বিরুদ্ধে থানায় নতুন মামলা হয়েছে। ঐ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে জায়ফুল ইসলাম সোহেল নামের এক জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হেরোইনসহ ভদ্রা জামালপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তালাইমারী ফাঁড়ির পুলিশ। আটকের পর আসামি সোহেলকে ফাঁড়ির এসআই মাসুদ রানার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে হেরোইনসহ আটক ঐ আসামির খবর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ও মামলা না দিয়ে মাসুদ রানা গোপনে আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য লিয়াজোঁ শুরু করেন এসআই মাসুদ রানা।

এদিকে হেরোইনসহ আসামি আটকের খবর পেয়ে ঐদিন বিকেলে তালাইমারী পুলিশ ফাঁড়িতে যান আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাত্ক্ষণিক এসআই সামুদকে সাসপেন্ডের আদেশ দেন পুলিশ কমিশনার এবং তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

তার বিরুদ্ধে স্থানীয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে মাসোহারা আদায় এবং অর্থের বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে তার বিরুদ্ধে চোরাই গাড়ি ব্যবহারেরও অভিযোগ ওঠে।