বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে বেবী বেগম (৪৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার খবর পাওয়া গেছে। আহত বেবী বেগমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার নগরীর ভাটারখাল কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে রফিকের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্থানীয় সুমি ওরফে গাঁজা সুমি ও তার বোন উর্মির সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। সুমি বেগম বিভিন্ন জনকে সুদে টাকা দেয়, আর সঠিক মেয়াদে টাকা তুলতে না পারলে ভুক্তভোগীদের বাসার সামনে গিয়ে কেরোসিন ঢেলে বা ঘরের ভেতরে ঢুকে গলায় দড়ি লাগিয়ে আত্মহত্যার ভয়ভীতি দেখায়। এছাড়া তার বোন উর্মির একই এলাকার এক যুবকের সঙ্গে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বিষয় নিয়ে এক ভুক্তভোগী বেবী বেগমের কাছে এলে সে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করে। কিন্তু সুমি বেগম ও তার বোন উর্মি বেগম তা মেনে নিতে পারেনি। ঐ ঘটনার সূত্র ধরে সুমি বেগমের ছেলে সাফিন (১৫) বেবী বেগমকে দেখে গালিগালাজ করে। তাকে নিষেধ করলে সে না শুনলে তাকে বেবী বেগম একটি চড় দেয়। ঘটনাটি সাফিনের না, সুমি বেগম জানতে পেরে তার ভাই সজল, হূদয়, সোহেল, উর্মি ও মিমের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে বেবী বেগমকে কুপিয়ে জখম ও পিটিয়ে আহত করা হয়।
হিজলায় গভীর রাতে আগুনে
বসতঘর পুড়ে ছাই
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে এক জেলের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে অক্ষত রয়েছে পবিত্র কোরআন শরিফ। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে চর-মেমানীয়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আ. ছত্তার মাতুব্বরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তোভোগী আ. ছত্তার জানান, দীর্ঘদিন যাবত্ তার প্রতিবেশী নুরুল হক গাজী, ছেলে সবুজ গাজী ও সুরুজ গাজীর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন তিনি মাছ ধরার জন্য নোয়াখালীর আলেকজান্ডার নদীতে ছিলেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ থাকায় চিকিত্সার জন্য বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ছিলেন। তিন দিন পর্যন্ত তার ঘর তালাবদ্ধ ছিল। এই সুযোগে ফাঁকা ঘরে অভিযুক্তরা আগুন দেন বলে দাবি ভুক্তভোগীর। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। হিজলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অসিম কুমার সিকদার জানান, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।