সান্তাহার জংশন রেলগেটের কারণে যানজট

নওগাঁ ও বগুড়া এই দুই জেলার মোহনায় সান্তাহার জংশন রেলওয়ে স্টেশন। সান্তাহার শহরের মাঝ দিয়ে গেছে রেললাইন। নওগাঁসহ সান্তাহার শহরের পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে যাতায়াতের প্রধান বাধা হচ্ছে রেলগেট বা রেলক্রসিং। প্রতিদিন সান্তাহার জংশন রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে ৩০-৩৫টি ব্রড ও মিটার গেজ যাত্রীবাহী ট্রেনসহ মালবাহী ট্রেন চলাচল করে। আর ট্রেন চলাচলের প্রায় ১০ মিনিট আগে রেলগেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন গেটের দুই পাশেই সৃষ্টি হয় যানজট। পায়ে হেঁটে চলাও মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। নিয়মিত এই দীর্ঘ যানজটে নাকাল শহরবাসী। সকাল ও বিকেলে রেলগেটের যানজট ছড়িয়ে যায় শহরের ভেতর পর্যন্ত। দিনে প্রায় ৬০ বার রেলগেট বন্ধ থাকায় পুরো সান্তাহার শহরে যান চলাচল বন্ধ থাকে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন সান্তাহার রেলগেট এলাকায় রেললাইনের ওপর আড়াআড়ি বসেন ফল-বিক্রেতারা। ট্রেন কাছাকাছি এলে ফলের ঝুড়িগুলো একটু পাশে সরিয়ে নেওয়া হয়। ট্রেন আসার আগে রেলক্রসিংয়ের দুটি প্রতিবন্ধক ফেলার আগে বেধে যায় হুড়োহুড়ি। পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহন দ্রুত পারাপারের চেষ্টা করতে থাকে। মোটরসাইকেল আরোহীদের অনেকে প্রতিবন্ধক উঁচু করে বেরিয়ে যান। এই সুযোগ নেন পথচারীরাও। কখনো কখনো রেলক্রসিংয়ের প্রতিবন্ধকগুলো ২০ মিনিটেরও বেশি পড়ে থাকে। ট্রেন চলে গেলেও জটলা কাটে না। রেলগেট এলাকা থেকে বাইপাস রাস্তা অথবা ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। বিষয়টির প্রতি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আবদুর রউফ রিপন

নওগাঁ