জগন্নাথপুরে নৃশংস কায়দায় দুর্বৃত্তের হাতে বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। অপরদিকে বানিয়াচংয়ে হাতুরির আঘাতে অপর এক বৃদ্ধা খুন হয়েছেন।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) :উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও আমিনপুর গ্রামে গত শুক্রবার দুর্বৃত্তের হাতে আলেক মিয়া (৬৫) খুন হয়েছেন। গতকাল বাড়ির লোকজন বসত ঘরের দরজা খুলে মেঝেতে আলেক মিয়ার মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় জানান। স্থানীয়রা জানান, আলেক মিয়া প্রথম স্ত্রী রেখে তিন-চার মাস পূর্বে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘময়না টেকইয়া গ্রামের মৃত আরমান আলীর মেয়ে রেনু বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের একই বাড়িতে রেখে আলেক মিয়া বসতবাড়ির অন্য একটি টিনশেড ঘরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। ঘটনার পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী রেনু বেগম নিখোঁজ থাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান বানিয়াচংয়ে হাতুড়ির উপর্যুপরি আঘাতে জাকিয়া বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা খুন হয়েছেন। জাকিয়া বেগমের মাথা নাক মুখ থেঁতলে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে বানিয়াচং উপজেলা সদরের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জাকিয়া বানিয়াচংয়ের নিহত ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নানের স্ত্রী। জাকিয়া ও তার ছোট ছেলে জোবায়েল ঠাকুরকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার রাতে জোবায়েল তার মাকে ঘরে একা রেখে কেনাকাটা করতে পার্শ্ববর্তী বাজারে যান। পরে জোবায়েল বাড়িতে এসে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে দেখতে পান তার মায়ের লাশ মেঝেতে পড়ে আছে। পাশে একটি হাতুড়ি পাওয়া গেছে। জাকিয়া তিন ছেলে ও এক মেয়ের জননী। বড় ছেলে সফর্টওয়ার ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোর্শেদ ঠাকুর লন্ডন প্রবাসী, মেজ ছেলে জে আলম ঠাকুর ঢাকায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা, ছোট ছেলে জোবায়েল ঠাকুর এলএলবি পাস করার পর মাকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করছেন। মেয়ে নাসিমা ঠাকুর ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত।